অ্যালিস ওয়াকারের কবিতা
অ্যালিস ওয়াকারের কবিতা ভাষান্তর – মোহনা মজুমদার কবি ও গল্পকার। জন্ম কলকাতায়, ২২ ডিসেম্বর ১৯৯১ সালে। পড়াশোনা অংকে স্নাতকোত্তর। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ—লাল লিটমাস নীল হয়, পারাবার বেঁধে রাখি, উৎসারিত ও সলিলোকুই, বিহান আলোর লিপি, এবং যতটা অপ্রকাশিত। আরও আনন্দ, আজকাল, সংবাদ প্রতিদিন, ভারত বিচিত্রা,
নিমাই জানা
গদ্য নিমাই জানা চিরঞ্জিত জিরাফ আর নন ফাংশনাল বারুদ লঞ্চার, প্লিজ স্টপ ওয়ার ব্রেকিং নিউজ, ” শিশুরা এইমাত্র ঘুমিয়েছে” যুদ্ধ বিরোধী বার্তা । হরমুজ প্রণালী। ড্রোন । মিসাইল । লঞ্চার । ভস্মীভূত স্কুল , হাসপাতাল মৃত ১৩৩২ জন শিশু , শিশুদের কফিন
সিদ্ধার্থ শেখর চক্রবর্তী
গদ্য সিদ্ধার্থ শেখর চক্রবর্তী অপ্রাসঙ্গিক যুদ্ধের নিস্তব্ধতা ‘ভূমিকম্পের মতই যুদ্ধও তুমি কোনোদিন জয় করতে পারবেনা।’ ( জেনেট রঙ্কিন) যুদ্ধ একমাত্র খেলা, এবং খেলা শব্দটি সচেতন ভাবেই ব্যবহার করা হলো, যেখানে কোনো পক্ষেরই স্পষ্ট জয় হয়না, তবে সন্দেহাতীত ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়। রাজা
শাম্ব
কবিতা শাম্ব #১ বাজি ঘন সবুজ অন্ধকারের ভেতরে মিলিয়ে যাচ্ছে লোকটি। দ্রুত পায়ে হাঁটতে হাঁটতে মাঝে মাঝে চশমা খুলে দেখে নিচ্ছে শরীরের গতি আলোর কোন দিক থেকে কোন দিকে। বারোয়ারী রাস্তার পাশে, একটু ঝুঁকে খুচরো পয়সার মতো নিজের থুতনি নিজের হাতেই
রিতম রিত
কবিতা রিতম রিত এন্ট্রপি : ধ্বংসের ধ্রুবক বাড়িরা গলে যাচ্ছে— মিসাইলের আগুনে, শিশুদের কান্নায়, যেন কঠিন পদার্থ থেকে তরল, তরল থেকে গ্যাস। শহরটা এখন এক অস্থির অণুসমষ্টি যেখানে মৃত্যুই একমাত্র বিকিরণ। মানুষ ছুটছে, এলোমেলো অণুর মতো কৃষ্ণ সাগর থেকে
সৌম্য কর
কবিতা সৌম্য কর #১ বারুদের ঘুম ও বোবা সাইকেল কেউ তো বলেনি, আজ এমন হাওয়া দেবে! যে হাওয়ায় মিশে থাকবে পোড়া কাঠের গন্ধ। বারান্দায় বসে থাকা ওই উদাস মানুষটা- খবরের কাগজে মুখ গুঁজে ছিলেন যিনি, তাঁর চশমার কাঁচে হঠাৎ উড়ে আসবে অচেনা
মহুয়া দাস
কবিতা মহুয়া দাস যুদ্ধ তুমি ক্লান্ত হও সম্পর্কের মায়াজাল বুনে চলেছি কতটা পথ ধরে অবাঞ্ছিত, তুচ্ছ ভালবাসা অভিমানে তেপান্তরের মাঠে যেখানে, রাখাল গান গায় তার বাঁশি বাজিয়ে। তারপরেও কী প্রেম আসে! না কি বলে উঠবো, প্রেম দিলে না প্রাণে। সম্পর্কের বেড়াজালে
শ্রাবণী গুপ্ত
গদ্য শ্রাবণী গুপ্ত যুদ্ধবিরতি একেকটা ছবি আমাকে বিপন্ন করে তোলে। একটা দেওয়ালের উপরে লাগানো একটা ছবি। হঠাৎ মনে হয় দেওয়ালটা কি তৈরিই হয়েছিল ছবিটির জন্য নাকি ছবিটি আঁকা হয়েছে শুধুমাত্র ওই দেওয়ালটাতে জায়গা করে নেবে বলে! এভাবে ভাবতে ভাবতে আমি কখন যেন
তৃষ্ণা বসাক
গদ্য তৃষ্ণা বসাক যুদ্ধ ও মেয়েরা ‘হুঁ, যুদ্ধের বছরগুলি। ভাবলেই মনে হয় সবসময় যেন বৃষ্টি পড়ত। আসলে তা নিশ্চয় নয়, তখনো নিশ্চয় রোদ – টোদ উঠত। আমার কিন্তু খালি বৃষ্টি পড়ার কথাটাই সর্বাগ্রে মনে পড়ে। ওয়েলিংটন বুট পরে বেরোতাম। রান্নাঘরের দরজা দিয়ে