কবিতাঃ শ্যামাশিস জানা
কবিতাঃ শ্যামাশিস জানা শ্যামাশিস এ সময়ের একজন উদীয়মান তরুণ কবি। বিভিন্ন পত্রিকায় লিখে চলেছেন। জ্বলদর্চি, ছায়াবৃত্ত, প্রতিভাস ইত্যাদি পত্রিকায় কবিতা লিখেছেন। এবারে কক্ষপথে। অসুখ দেখে মনে হয় আকাশ থেকে তারা খসে পড়ছে ড্রোন কিংবা মিসাইলের ক্রমাগত ছুটে আসা এই মানব সভ্যতার কৃত্রিম
প্রবন্ধঃ রুদ্র শায়ক
প্রবন্ধঃ রুদ্র শায়ক কবি ও প্রাবন্ধিক— জন্ম, ১৯৮৩ লক্ষ্মীপুরে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দর্শনে বিএ (সম্মান) ও এম.এ । ছোটোকাগজ ‘ওপেন টেক্সট’ সম্পাদনা করেন। মূলতঃ ছোট কাগজের লেখক। কাব্য গ্রন্থ: বাড়ীর দিকে ফিরা, প্রকাশিতব্য গ্রন্থ: মধ্যবিত্তের সংরাগ কিংবা গ্ৰামসির কবিতা গ্ৰাম, কারণ ছাড়াই কৌশল
অ্যালিস ওয়াকারের কবিতা
অ্যালিস ওয়াকারের কবিতা ভাষান্তর – মোহনা মজুমদার জন্ম কলকাতায় । অংকে স্নাতকোত্তর। প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা চার । প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ‘পারাবার বেঁধে রাখি’ , ‘উৎসারিত ও সলিলোকুই’ , ‘বিহান আলোর লিপি’ , ‘যতটা অপ্রকাশিত’ । আজকাল, সংবাদ প্রতিদিন, ভারতীয় হাইকমিশন ঢাকা থেকে প্রকাশিত ভারতবিচিত্রা,
নিমাই জানা
গদ্য নিমাই জানা চিরঞ্জিত জিরাফ আর নন ফাংশনাল বারুদ লঞ্চার, প্লিজ স্টপ ওয়ার ব্রেকিং নিউজ, ” শিশুরা এইমাত্র ঘুমিয়েছে” যুদ্ধ বিরোধী বার্তা । হরমুজ প্রণালী। ড্রোন । মিসাইল । লঞ্চার । ভস্মীভূত স্কুল , হাসপাতাল মৃত ১৩৩২ জন শিশু , শিশুদের কফিন
সিদ্ধার্থ শেখর চক্রবর্তী
গদ্য সিদ্ধার্থ শেখর চক্রবর্তী অপ্রাসঙ্গিক যুদ্ধের নিস্তব্ধতা ‘ভূমিকম্পের মতই যুদ্ধও তুমি কোনোদিন জয় করতে পারবেনা।’ ( জেনেট রঙ্কিন) যুদ্ধ একমাত্র খেলা, এবং খেলা শব্দটি সচেতন ভাবেই ব্যবহার করা হলো, যেখানে কোনো পক্ষেরই স্পষ্ট জয় হয়না, তবে সন্দেহাতীত ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়। রাজা
শাম্ব
কবিতা শাম্ব #১ বাজি ঘন সবুজ অন্ধকারের ভেতরে মিলিয়ে যাচ্ছে লোকটি। দ্রুত পায়ে হাঁটতে হাঁটতে মাঝে মাঝে চশমা খুলে দেখে নিচ্ছে শরীরের গতি আলোর কোন দিক থেকে কোন দিকে। বারোয়ারী রাস্তার পাশে, একটু ঝুঁকে খুচরো পয়সার মতো নিজের থুতনি নিজের হাতেই
রিতম রিত
কবিতা রিতম রিত এন্ট্রপি : ধ্বংসের ধ্রুবক বাড়িরা গলে যাচ্ছে— মিসাইলের আগুনে, শিশুদের কান্নায়, যেন কঠিন পদার্থ থেকে তরল, তরল থেকে গ্যাস। শহরটা এখন এক অস্থির অণুসমষ্টি যেখানে মৃত্যুই একমাত্র বিকিরণ। মানুষ ছুটছে, এলোমেলো অণুর মতো কৃষ্ণ সাগর থেকে
সৌম্য কর
কবিতা সৌম্য কর #১ বারুদের ঘুম ও বোবা সাইকেল কেউ তো বলেনি, আজ এমন হাওয়া দেবে! যে হাওয়ায় মিশে থাকবে পোড়া কাঠের গন্ধ। বারান্দায় বসে থাকা ওই উদাস মানুষটা- খবরের কাগজে মুখ গুঁজে ছিলেন যিনি, তাঁর চশমার কাঁচে হঠাৎ উড়ে আসবে অচেনা
মহুয়া দাস
কবিতা মহুয়া দাস যুদ্ধ তুমি ক্লান্ত হও সম্পর্কের মায়াজাল বুনে চলেছি কতটা পথ ধরে অবাঞ্ছিত, তুচ্ছ ভালবাসা অভিমানে তেপান্তরের মাঠে যেখানে, রাখাল গান গায় তার বাঁশি বাজিয়ে। তারপরেও কী প্রেম আসে! না কি বলে উঠবো, প্রেম দিলে না প্রাণে। সম্পর্কের বেড়াজালে