নুসরাত সুলতানা
কবিতা নুসরাত সুলতানা #১ মাশুল এই মানব জন্মের মাশুল আমি কিভাবে দিতে পারি? বলবেন কমরেড! মানুষের জন্য নাজিল হল; কোরান, তাওরাত, ইঞ্জিল, যাবুর। অথচ মানুষ শিখতে পারলো না, আয়ত্ত করতে পারলো না সম্প্রীতি শব্দটিকে। মানুষই আবিষ্কার করল- বিদ্যুৎ, রেডিয়াম, এরোপ্লেন রকেট,
অদিতি রায়
কবিতা অদিতি রায় ফুল সূর্যের এমন পরিক্রমণে রা কাড়ে না ছোট্ট শিশুটি। ক্লোরিন বোমায় ধ্বংস উঁচু নীচু পাথরের স্তূপ— তার থেকে নরম হাত পা তুলে কঁকিয়ে বেরোচ্ছে পৃথিবীর জল ও বাতাসে। রাসায়নিক আর লাশের পচা গন্ধ চারিদিকে, তার মধ্যে বীজোত্থিত দেহটি তার নিস্প্রাণ
নির্মল রায়
গদ্য নির্মল রায় শাস্ত্রীয় সংগীতের চিত্র প্রকৃতির যুদ্ধ বিরোধী ইতিহাস ১৪০০ শতাব্দী থেকে শুরু করে ১৯০০ শতাব্দী পর্যন্ত শাস্ত্রীয় সংগীতের চিত্র প্রকৃতির যুদ্ধবিরোধী ইতিহাস দক্ষিণী, রাজস্থানী, মুঘল, পাহাড়ী প্রভৃতি ভৌগোলিক- সাংস্কৃতিক ঘরানাগুলির পরিসরে সমৃদ্ধ।প্রায় ৫০০ বছরের ব্যবধানে ভারতবর্ষের বুন্দি, বুন্দেলখন্ড, হায়দ্রাবাদ, কাংড়া,
শিশির আজম
কবিতা শিশির আজম #১ যুদ্ধ জগাখেচুড়ি দিনটাকে মুঠোয় পুরে রাতের পেটের মধ্যে ঢুকে পড়ি ভুস করে, আর বালিশ ছাড়াই ঘুম। ঘুম মানেই সাধ মিটিয়ে রাজবাড়ির দেয়ালে সটান পেশাব ছরছর, তদুপরি ভিখিরীর কাছ থেকে বিড়ি ধার নিয়ে হাওয়ায় ফুঁ ধোঁয়া। ক্রমশ ধুলোয় একাত্ম হয়
সম্পাদকীয়-র পরিবর্তে
সম্পাদকীয়-র পরিবর্তে সম্পাদকীয়-র পরিবর্তে #সংখ্যা ৬১ আমাদের বিষয় ছিল ‘যুদ্ধ চাই না আর’। অবশ্যই যুদ্ধ বিরোধী। তবে সুরটি এক ক্লান্তির, ক্লান্ত আক্ষেপের। কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের অতি পরিচিত কবিতা ‘প্রিয়তমাসু’ থেকে ধার করা পঙক্তি। যুদ্ধ জীবনযাপনের স্বাভাবিক দ্বান্দ্বিক প্রক্রিয়া। অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই। তবে এ
বিজয় সিংহ
কবিতা বিজয় সিংহ #১ ভেনেজুয়েলা ওরিনাকোয় বঙ্গীয় পদ্ম ভাসিয়েছি নক্ষত্রেরা গলে গেলে উগো চাভেশের সঙ্গে বিনিময় ছিল বিনির্মিত এ স্ট্রাকচার জন্তুর ভিতরে জন্তু চিৎকার ওঠায় কুয়াশায় ছুটে যায় অতিকায় ট্রাক জ্বলন্তের হিস্ট্রি থেকে ছন্ন লাভা যতদূর ছড়িয়ে পড়েছে, তার ফাঁক
তন্ময় ভট্টাচার্য
কবিতা তন্ময় ভট্টাচার্য # ১ শান্তিস্থাপন আমি তো শান্তির জন্য চালিয়েছি লাঠি প্রতিটা মারের গায়ে শান্তি লেখা আছে যখনই সপাং নামে তোমাদের গায়ে জেনে রেখো, শান্তিবাক্য লালিমা ফুটেছে আমি তো জ্ঞানত কোনও অন্যায় করি না অজ্ঞান হলে কি এত সর্বপাপহর
তীর্থঙ্কর দাশ পুরকায়স্থ
কবিতা তীর্থঙ্কর দাশ পুরকায়স্থ উত্তরাধিকার সাদা দেওয়ালের গায়ে আর্তনাদ আঁকা, বনের গভীরে ঢুকে বিড়ালের মতো পায়ে চুরি করা হিংস্র পশুটির অহংকার, তার শেষ গর্জনের চিহ্ন, টান করে রাখা মখমলের মতো শান্ত অন্তিম চিৎকার। ঘরে শৌখিন আসবাব, কোণে মায়াবী আলোর বাতি, রবীন্দ্র রচনাবলী,
তাপসী লাহা
কবিতা তাপসী লাহা # ১ অন্যরকম রক্তের দাগ শুকিয়ে যেতে যেতে, মুছে যাওয়া মাংসজ আলতায়, দেহের প্রস্রবণে … বুজে আসে চোখের পাতা কাঁপতে কাঁপতে । সমর্পণ নাকি ঘুম। পরাজয় মেখে! নচেৎ ক্ষমার মত ভালবাসা এঁকে। উশখুশ যত হন্তকের হাত। জীবিত সব অতল
সৈয়দ কওসর জামাল
কবিতা সৈয়দ কওসর জামাল ১ দেশপ্রেম যাকিছু ঘটেছে ব্যতিক্রম সব হত্যা বিচ্ছিন্ন ঘটনা সুশাসন আকাশে ধরে না অভিযোগ তাই মানব না কথার উত্তর দিতে নেই বেয়াড়া প্রশ্নের অর্থ হল হিংসা আর রক্তের ইঙ্গিত না হলে কাহিনিটাই জোলো যুদ্ধের সময় বোবা