তন্ময় ভট্টাচার্য
কবিতা তন্ময় ভট্টাচার্য # ১ শান্তিস্থাপন আমি তো শান্তির জন্য চালিয়েছি লাঠি প্রতিটা মারের গায়ে শান্তি লেখা আছে যখনই সপাং নামে তোমাদের গায়ে জেনে রেখো, শান্তিবাক্য লালিমা ফুটেছে আমি তো জ্ঞানত কোনও অন্যায় করি না অজ্ঞান হলে কি এত সর্বপাপহর
তীর্থঙ্কর দাশ পুরকায়স্থ
কবিতা তীর্থঙ্কর দাশ পুরকায়স্থ উত্তরাধিকার সাদা দেওয়ালের গায়ে আর্তনাদ আঁকা, বনের গভীরে ঢুকে বিড়ালের মতো পায়ে চুরি করা হিংস্র পশুটির অহংকার, তার শেষ গর্জনের চিহ্ন, টান করে রাখা মখমলের মতো শান্ত অন্তিম চিৎকার। ঘরে শৌখিন আসবাব, কোণে মায়াবী আলোর বাতি, রবীন্দ্র রচনাবলী,
তাপসী লাহা
কবিতা তাপসী লাহা # ১ অন্যরকম রক্তের দাগ শুকিয়ে যেতে যেতে, মুছে যাওয়া মাংসজ আলতায়, দেহের প্রস্রবণে … বুজে আসে চোখের পাতা কাঁপতে কাঁপতে । সমর্পণ নাকি ঘুম। পরাজয় মেখে! নচেৎ ক্ষমার মত ভালবাসা এঁকে। উশখুশ যত হন্তকের হাত। জীবিত সব অতল
সৈয়দ কওসর জামাল
কবিতা সৈয়দ কওসর জামাল ১ দেশপ্রেম যাকিছু ঘটেছে ব্যতিক্রম সব হত্যা বিচ্ছিন্ন ঘটনা সুশাসন আকাশে ধরে না অভিযোগ তাই মানব না কথার উত্তর দিতে নেই বেয়াড়া প্রশ্নের অর্থ হল হিংসা আর রক্তের ইঙ্গিত না হলে কাহিনিটাই জোলো যুদ্ধের সময় বোবা
হিন্দোল ভট্টাচার্য
কবিতা হিন্দোল ভট্টাচার্য #১ বীরগাথা জেতা, মানে হেরে যাওয়া। কেউ নেই তার। জীবন শ্মশান হলে, যারা যারা পুড়ে যায়, শব তাদের জীবনমৃত্যু, হিসেব, কাগজপত্র নেই। যে পোড়ায়, একা, তার যুদ্ধ শুধু একাকী বাঁচার। তার চেয়ে ভালো এই ব্যর্থতার কাছে চুপ করে
অমিতাভ সেন
কবিতা অমিতাভ সেন #১ ভস্মনাভ ইহঋতুর স্পর্শনীয় তিথিপালন মেনে নিয়ে নির্জনে পড়ে থাকবে আগুনঘরের সামনে তোমার এ শরীর ধকল নিতে না পেরে শরীর যখন
হরিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়
কবিতা হরিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় কোলাহলের বিপরীতে যাবতীয় যাতায়াত এক গোবিন্দগঞ্জ থেকে আমোদপুর হেঁটে যায় গাছ। তোমার প্রতিবেশী। জল-পা নয় তবুও শক্তি মাপা যাবে না। হেঁটে যায় দলবল নিয়ে। কখনও নিজের বলে পাতার কাছে হাত বাড়ায়নি। তবুও ঠেসে ধরে ধুলোর ধার থেকে সরিয়ে নিয়ে।
কৌশিক সেন
গদ্য কৌশিক সেন এক যুদ্ধবাজ কবির খোলা চিঠি শ্রদ্ধেয় সম্পাদক, আপনি আমাকে আপনার পত্রিকায় যুদ্ধবিরোধী কবিতা লিখতে বলেছেন। লিখব না। কেন লিখব, বলতে পারেন! নিপুণ শব্দযোজনে একটি যুদ্ধবিরোধী কবিতা লিখলেই কি মাঝ আকাশে স্থির হয়ে যাবে ক্ষেপণাস্ত্রগুলি! যুদ্ধের হিসেবনিকেশ করা গোমস্তারা খেরোর
বাল্মীকি রায়
গদ্য বাল্মীকি রায় একটা যুদ্ধই আমাদের ঝান্ডাবাজ এবং ফান্ডাবাজ বানিয়ে দিল একটা বিনা যুদ্ধে নাহি দেব… ধর্মযুদ্ধই আমাদের ঝান্ডাবাজ এবং ফান্ডাবাজ বানিয়ে দিল! কেউ ঝান্ডা ধরলাম পাঁচ ভাই মানে, পাণ্ডব ফ্রণ্টের পক্ষে, কেউ উঁচা গলায়, ( চোরের মা-র গলায় ) হমারা
অরূপ গঙ্গোপাধ্যায়
গদ্য অরূপ গঙ্গোপাধ্যায় যুদ্ধের পায়চারি : পতনের শব্দ ১ আধুনিক যুদ্ধ, সভ্যতার অতি উজ্জ্বল সময়েও মানুষের ভেতরে লাটিম অন্ধকারকে ঘুরিয়েই চলেছে। ‘মারো নয় মরো’—আদিতম যুদ্ধের স্লোগান। যারা মারা যায়, তারা আদেশ পালন করে দেশের জন্য—বলা ভালো সাম্রাজ্যবাদী দখলদারদের জন্য। ক্রিমিয়ার যুদ্ধে (১৮৫৪) ব্রিটিশ