জন্ম ১৯৭২। কলকাতা। কবি ও গদ্যকার। বহু গ্রন্থের রচয়িতা। ‘এবং সইকথা’ পত্রিকার সম্পাদক।
হরিণ নামে মৃদু শব্দে
১)
উঠোনে বেহায়া রোদ। তন্তু-ছেঁড়া মেঘ অখণ্ড আকাশে । লুকিয়ে রাখে ছায়া। অনন্ত পারে যেতে চায় মন! নির্ভুল কিনার ধরে বাজি রাখো পথ। সেসব মায়ার কথা জানে সে। মানে না স্বরাজ তবু। টুটি চেপে মুঠো ভরে দেয় যন্ত্রণা। এভাবেই কেটে যাবে। এভাবেই গেঁথে যায় লেখার চরাচর
২)
অদেখা পীঠের পঠন । লীলা ও লালনের লয়কারি। দহন ও দেহবোধে ভেঙে যায় দুয়ার। তবে কি এমনি করে আসো? পাশে বসে মায়া ও মহামন্ত্রে টহল দেয় অজানা টঙ্কার! হরি লিখতে কে লেখে হাড়িকাঠ !
৩)
এসব অর্থহীন… প্রলাপ বলে দেগে দেয় ওরা। ওদের ক্ষমা করো হে, লেখার ঈশ্বর। নেশাতুর হই। একাকী বাজাই এস্রাজ। গুল্মলতার হরিণপাতা মোহ। সবুজ চোখের রন্ধ্র। অন্ধ করে। ভিতর-ছেঁছা আলোয় আরও হন্তারক… ছুরিকাহত কিলিমাঞ্জারো
৪)
লেখা একবার ছেড়ে গেলে অভিমানী আসে না । অন্ধ নদীর মতো জন্মান্তরের অক্ষর বয়ে যায় আনপথে। শূন্য হাড়ে কে বাজাবে মজ্জার ভায়োলিন! আদিম আকাশ জুড়ে কে শোনাবে বিলুপ্ত পাখির ডাক।
৫)
দীর্ঘ বিরতি শেষে একদিন ভোরের হরিণ নামে মৃদু শব্দে। দৈব হাওয়ায় লিখে ফেলি একটি- দুটি বাক্য। বাঘের ডোরা ডিঙিয়ে যায় ঘোড়ার দুরন্ত স্বভাবে । শতভিষা, পুনর্বসূ ঘুরে আসে… অদৃশ্য হাত লিখে রাখে তর্জমা। চলো , বিনিময় করি এ বিদুর বিস্ময়