১
প্রমত্ত করী
নাভিপদ্মে তীব্র ঘ্রাণে
বীজমন্ত্র উচ্চারণে
ঘর্মে মসৃণ প্রমত্ত
করী ঘনায় আষাঢ়ে
আষাঢ়ে মেঘের সন্ধি
অপচয় মেনে যদি
অবক্ষয় লিখে রাখি
অনিবার্য সৃষ্টিবীজে
কে জানে জেগেছে কবে
বিদ্যুতের স্বয়ংবরা
সরল স্বভাবে জেগে
জীবন প্রকৃত অর্থে
২
হিরণ্যধনুর তিতিক্ষা
কলেবর পরিত্যাগে দেবতা
কি আশয়সজ্জার আয়োজনে
ব্যাঘাত ঘটায়… যোনিস্পর্শের
আচারে পুরাণনির্মাণ হেতু
প্রশ্ন করো পরীক্ষার্থী এখন
যোগ দেবে কোন পক্ষে সত্বর…
ভাঙলে দ্রোণ অরাতি-তপন
দায়াদগণ শোনো দিয়া মন
ক্ষতজানু-ক্ষতস্কন্ধ নিশ্চিত…
সদ্যোজাত জাতাগ্নি লুণ্ঠনের
অভিপ্রায়ে রাষ্ট্রদূত উপেক্ষা
করে হিরণ্যধনুর তিতিক্ষা
৩
প্রেম নিঃস্ব
রাখলে না সামলে জলের জিভ
বিপদ সভ্যতার,
জলের আগুনে আশঙ্কাকাতর
সভ্যতা হবে ধ্বস্ত
ঝাপটায় ডানা জোর আকাশের
বুকে যে পক্ষীরাজ,
জানে কি সে ঔদ্ধত্যে তার ফুরোবে
অমৃতকুম্ভ আজ
মাত্রাহীন নরকপালের ভারে
সংসারে প্রেম নিঃস্ব,
ভাঙনের পরে বাঁধের বদনাম
তেমনই বর্তায়
অঙ্গারে উড্ডীন লোহিত নিশান
অস্ত্রশস্ত্র অক্ষম
হোক কার্যত, সাম্রাজ্যপতনের
অতিকালিক ছন্দে
৪
জাতধর্ম
ভরা ভাদরে শীঘ্রই নখদংষ্ট্রাবলে
যোনিবণ্টনের প্রকল্পে ভুবন জুড়ে
ঘটবে প্রলয় প্রবল; আপীড়নের
জের টেনে পরবর্তিতার প্রত্যাশায়
অন্তরালে-সংশয়ে আবছা আরাত্রিকে
শীর্ষ বাহুদুটি তীব্র আশ্লেষে প্রস্তুত
তোমার, অনিশ্চিত সময়ের ভাঁড়ারে
বারে বারে গ্রাস করতে পারে সংঘাত,
তোমার প্রকৃতিরই অতিলোলুপতা-
আশ্রিত ও শিকার-নিবিষ্ট মিত্রপক্ষ
ভঙ্গিমায় আদৌ নও তুমি স্থিতপ্রজ্ঞ
মানবে তো নিশ্চয়ই তুমি জাতধর্ম