যুদ্ধ তুমি ক্লান্ত হও
সম্পর্কের মায়াজাল বুনে চলেছি কতটা পথ ধরে
অবাঞ্ছিত, তুচ্ছ ভালবাসা অভিমানে তেপান্তরের মাঠে যেখানে, রাখাল গান গায় তার বাঁশি বাজিয়ে।
তারপরেও কী প্রেম আসে! না কি বলে উঠবো, প্রেম দিলে না প্রাণে।
সম্পর্কের বেড়াজালে তোমার-আমার বিচ্ছেদ।
ওই বিচ্ছেদ টেনে আনে হাজার শিশুর কান্না লক্ষ গৃহহারার আর্তি।
শুনেও তা শুনতে পাই না। ভান করে মুখ ফিরিয়ে ফিক করে মুখ বেঁকিয়ে হাসি।
কারণ তো একটাই, শত কান্নার আর্তনাদ শরীরের রক্ত গরম করে না।
হয় না বিষাদ
মনটাই বড্ডো পাজি।
সাইরেন আর হাজার চুরাশির কোলাহলে ধোঁয়া মিলে যায় সাগরের জলে।
হাহাকার আর হাহাকার
মৃত্যু মিছিল আর মোমবাতির আলোয়
স্বজনহারাদের সান্ত্বনা দেওয়ার ভাষাও বেচে দিলাম।
এটাই বোধহয় প্রকাশের ভাষা।
এছাড়া, বোঝানোর পথে বড়ই ক্লান্তি নেমে আসে।
যুদ্ধ তুমি ক্লান্ত হও। নিষ্প্রয়োজন হয় ওঠো স্বজনের মনে। আগামীর বার্তায় এসো বিভেদ ভুলে
প্রজাপতিরা উড়ে বেড়াবে রঙিন পাখা মেলে
শুধু বিভেদ ভুলে।
বিজ্ঞানের অগ্রগতিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে বলো, আমি মিশে যাবো সেখানে, যেখানে চাঁদের আলোর বিচ্ছুরণ স্পর্শ করবে নিষ্ঠুর অমানবিক মন গহনে।
1 Comment
I may not have the formal education to fully understand poetry, but whenever I read a poem, there are moments when it feels as though I’ve found lines that beautifully express feelings I’ve long struggled to put into words. This is one such instance. Very nice.