কস্তুরী সেন
কস্তুরী সেন বাসাংসি জীর্ণানি রমণী নতুন তার ওষ্ঠে নাম মধুবাসনার – তোমাকে নতুন নামে ডেকে উঠল যেই লক্ষ পায়রা উড়ে গেল, বক্ষে বক্ষে মধুতর দোল! বুঝি বক্ষ খসে পড়বে ওর মধু কালচক্ষে দেখে? নাকি চক্ষু অন্ধ আর বন্ধদ্বারে ঘোরস্বভাবিনী ওকেও শিখিয়ে দেব
অরিত্র দ্বিবেদী
অরিত্র দ্বিবেদী আমি আর সে জেগেছ ধরার বুকে আজ সূর্য জ্বলেন নিজ তেজে ঢালো জল আগুন নেভাতে ব্রহ্ম কমল নিলে হাতে সে কমলে শপথ গ্রহণ পুরনো ঋষির মতো মুখে আলিঙ্গন বাঁধনে বাঁধ রেখে দাও
অনুপম নিয়োগী
অনুপম নিয়োগী দিনলিপি ১ বাতাসের গন্ধ পাল্টে যাচ্ছে ক্রমশ। একই পাতায় সুখ ও অসুখের চেনা মুখ বাড়িয়ে তুলছে বয়স। তবুও জঙ্গলে যাই। জীবনের অভিমুখ খুঁজি। সময় চেনাই সন্ততিকে। লিখে যাই যা কিছু সম্ভাবনাময়,অক্ষয়। সময়ের অনন্ত প্রবাহে প্রতিটি বীজ আসলে লিখে রাখে পুনর্জন্মের
সুদীপ চট্টোপাধ্যায়
সুদীপ চট্টোপাধ্যায় জ্যোতি নিজেরই স্বভাবদোষে জটিল হলাম। হলাম মন্থরপ্রিয় এখন এই বোঝা বইতে বইতে কতদূর যাব? জানি, আমার চিন্তার শেষে দাঁড়িয়ে আছেন সূর্যরথ মৃতদের কানের পাশে অস্ফুটে বহুবার বলার চেষ্টা করেছি মানুষ ভালো নেই, তথাপি তাদের ক্লিন্ন হাসির ভেতর আমার বিশ্বাস নড়ে ওঠে,
অদিতি রায়
অদিতি রায় ইন্টারভিউ মেয়েটার জামায় কিছু শুকনো ফুল, বেরঙা। বুঝি বা বহুবার সস্তার সাবানে কেচে অধোমুখ, শুকনো মলিন। মেয়েটা মুখ তুলে তবু বলে- “আমাকে নিন” আলো তো গোলাপী নয়, আলো খুব উজ্জ্বল প্রখর। দামী গ্লাস, কাঁচ-ঠান্ডা জল, স্রুত স্বচ্ছতায় লুকাতে চায়
পার্থজিৎ চন্দ
পার্থজিৎ চন্দ দৃশ্য একটাই মাত্র কাজ। আমাকে পাঠানো হয়েছিল এই বধ্যভূমিতে যে প্রকাণ্ড দরজার ওপারে নিশীথ, তার গায়ে ধাতুর নিকষ রঙ ছায়া ফেলে আছে স্তব্ধ ঝাউয়ের দেশে অক্টোপাস এসে যদি ফিরে যায়, যদি ছায়ার ভেতর থেকে কয়েক মুহূর্ত পর
হিন্দোল ভট্টাচার্য
হিন্দোল ভট্টাচার্য মাঝি তোমার দুঃখের আমি সহযাত্রী নই শুধু জল ছুঁয়ে আসি, ডুব দিতে পারিনি এখনো। ঘাট থেকে ছেড়ে যাওয়া লঞ্চ দেখে বিদায় জানাই… ঘাটেই অপেক্ষা করি সে কখন ফিরে আসবে, যদি লঞ্চ ছাড়ে তোমার দুঃখের আমি সহযাত্রী নই — দেখি
বিজয় সিংহ
বিজয় সিংহ বিনির্মাণ বদ্রিদাস লেন থেকে বৃষ্টিরা ফিরেছে আজ জুলাইয়ের ১২, তুমি জমানো পশুর হাড় থেকে সৌরলতার উদ্ভাস দেখেছিলে। রাত্রিকালীন অন্ধতা শস্যবীজ হাতে দাঁড়িয়েছে এভাবে এ শহর চূড়ান্ত হয় জিরাফে মধুকৈটভে অধিকন্তু মধ্যযামে চাঁদের গহ্বর, যার
অনিন্দিতা দে
অনিন্দিতা দে অলস দুপুর ও হিজিবিজি চিন্তা প্রথম বৃষ্টির আদরে বাগানের ভেজা মাটি থেকে ভেসে আসা সোঁদা সোঁদা গন্ধটায় কেমন যেন মিশে থাকে মহুয়ার নেশা। কৃষ্ণচূড়ার রং ধরেছে যে ভ্যাবাচ্যাকা গাছটায়, তার মগডালে বসে একলা পাখি একমনে মেঘ বৃষ্টির খেলা দেখে। টুপটাপ
ঋতুপর্ণা ভট্টাচার্য
ঋতুপর্ণা ভট্টাচার্য কদম রেণুর দেশে আজ পয়লা আষাঢ়। আকাশটা সকাল থেকেই মেঘাচ্ছন্ন। দমকা জোলো বাতাসে ভেজা ভেজা শিরশিরানির আদুরে ছোঁয়াচ। এই দিনগুলোতে মন বড় উতলা হয়। গোটা দিনটা যেমন তেমন করে পেরিয়ে অবশেষে যখন বিকেল নামল ঘন হয়ে, বাড়ির দক্ষিণখোলা বারান্দায় এসে রোজকার