পারমিতা দে দাস
পারমিতা দে দাস কাগজ বিক্রেতা আমার শোকের কথা খবরে না ছাপা হলেও চলবে। আমার বুকের বামপাশে সর্ষে দানার মত তিলটা কোনো পুরুষ ছুঁয়ে দিলে প্রজাপতি হয়ে যায়… এই রহস্য গন্ধ লেখো! এই খবর ছড়িয়ে গেলে কেউ তো একবেলা খেয়ে পরে বাঁচবে।
দেবদাস রজক
দেবদাস রজক এই অসঞ্চিত আঁধার আমাদের ফিরে যেতে হবে অনন্ত মেঘের কাছে শেষ ইচ্ছের দু’একটা অসংলগ্ন দায় থেকে গেছে এইখানে সব দায় কি নেভানো গেছে কোনওদিন? এই অন্ধকার, এই অসঞ্চিত আধার, প্রাচীন গাছেদের ছেড়ে আসা ছা-পাখির মুখরিত ডাক,
তন্ময় ভট্টাচার্য
তন্ময় ভট্টাচার্য বিপর্যয় সম্ভ্রান্ত ঘটনাগুলি। খুঁড়ে খুঁড়ে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার অভ্যেস জন্মেছে, গায়ে উঠে পড়ছে নমস্য মাদুলি খানিক ঘটনাচূর্ণ চুপিসারে অন্যদের ভাতে মিশিয়ে দেওয়া কি, গ্রাসে ও পাচনে যেটুকু অন্তর বড়ো হয়ে দেখা দিচ্ছে, বিনাপ্রশ্নে মেনে নেওয়া আর সম্ভব হল না;
অভিজিৎ সরকার
অভিজিৎ সরকার ঝড় নিঃশব্দে ঢুকে পড়ে ঝড়ের গতি বৃষ্টি নেই, শুধু শুধু বুক জুড়ে ফুটে আছে রাতের অন্ধকারের কালো মেঘ। তবুও বেশ আছি ! বৃষ্টি তো চাইনি আমি শুধু চেয়েছিলাম প্রবল থেকে প্রবল ঝড়, যে ঝড়ে নিমেষে সব ছারখার
অমিত চক্রবর্তী
অমিত চক্রবর্তী গোধূলির উপাসনা বাক্যবাণ আর শব্দযান তার হাতে তুলে দিয়ে বলি, আসি এবার। অসামান্য আসলেই একটা ভীরু শব্দ, লুকিয়ে রাখে হিজিবিজি দাগ বা সময়ের দেয়ালে আঁকা তৎক্ষণাৎ বাদামি ম্যুরাল। আমাদের মনে আছে কিছু কিছু তাহাদের বাক্যগঠন, শোনা যায় ঈশ্বরপ্রীতি, বন্দনা, বা
রূপক চট্টোপাধ্যায়
রূপক চট্টোপাধ্যায় অষ্টপ্রহরের গান ১) জলচরিত লিখেছো দিগন্তে বসে ভিজতে চাইনি,তবু ডুবিয়ে দিলে দহন। উপুড় নদীর পিঠে নৌকা ভ্রমণ আঁকো রাখো গ্রামীণ কথা, কাঠবাদামের বন! ২) ট্রেন ফেলে গেছে মেঘলা স্টেশেন চোখের তারায় ঈশানকোণের আলো।
অমিত পাটোয়ারী
অমিত পাটোয়ারী শূন্যবন্দর ভোর দিলে এমন উজ্জয়িনী, ভাঙবে না কেন যে জঠর! রোদ পেলেই শিশুমৃত্যু, মাতৃজ্বালা, যুবতিকালে ঘোর… তন্দ্রা হয়ে জন্ম হয়ে প্রজাপতি পঙ্গু হয়ে আসে এ হাত থেকে ও হাত নদী, এ দেশ থেকে ও দেশ করাল গ্রাসে সেই
বর্ষা সংখ্যা # ২
গল্প ও মুক্ত গদ্য ঋতুপর্ণা ভট্টাচার্য অনিন্দিতা দে কবিতা বিজয় সিংহ হিন্দোল ভট্টাচার্য পার্থজিৎ চন্দ অদিতি রায় সুদীপ চট্টোপাধ্যায় অনুপম নিয়োগী অরিত্র দ্বিবেদী কস্তুরী সেন বেবী সাউ উৎপলেন্দু পাল
উৎপলেন্দু পাল
উৎপলেন্দু পাল বৃষ্টি লিখবো বলে আমি এক পশলা বৃষ্টি লিখতে চেয়েছি চিরকাল লিখে উঠতে পারিনি আজও — মৌসুমী বায়ুর সাথে উড়ে খুঁজেছি ছন্দ ও অলংকার থমকে গেছি পর্বতের ঢালে , মেঘ থেকে মেঘান্তরে খুঁজে বেড়িয়েছি শব্দ ভান্ডার শুধু বজ্রাঘাতই পেয়েছি বার
বেবী সাউ
বেবী সাউ কামসূত্র ১. মঙ্গলাচরণ প্রেমের ভেতর হাঁটতে শুরু করলে সহজ হয়ে ওঠে সময় প্রতিটি মুহূর্ত সুন্দর প্রতিটি শব্দ ধ্বনিময় এযাবতকাল জমে থাকা ঈর্ষা এবং দ্বেষ ভেঙে কাছে এসেছে সে ঠিকানাবিহীন আমি তাকেই ঠিকানা ভেবে শান্ত চিঠি লিখি…