ফ্লো নাম্নী রমণী
অর্দ্ধেন্দু শেখর গোস্বামীর শিম্পাঞ্জি কথা প্রথম পর্ব ১৯৫১ সালে পশ্চিমবঙ্গের অখণ্ড মেদিনীপুর জেলার পশ্চিমতম প্রান্তের এক অজ গাঁয়ে জন্ম। সরকারি কর্মে রাজ্যের সর্বত্র বসবাস। অবসরের পর চন্দননগরে স্থিতি। বর্তমানে পূর্ণ সময়ের লেখক, সম্পাদক এবং তন্নিষ্ঠ পাঠক। আসল পরিচিতি ছড়িয়ে আছে তাঁর লেখা গল্প,
আমি যুধিষ্ঠির
দেবব্রত রায়-এর গল্প বাড়ি, বাঁকুড়া জেলার বিষ্ণুপুর শহরে। কবিতা এবং গল্প দুটোই লিখতে ভালোবাসেন। নিজেকে শূন্য দশকের কবি বলতেই ভালোবাসেন।সাহিত্যের বিশেষ করে কবিতার বিষয়, পোস্টমডার্নিজম।যুবমানস, কলেজস্ট্রিট দৈনিক সংবাদ সহ বিভিন্ন পত্রপত্রিকাএবং পোস্টমডার্ন কবিতার অন্যতম মুখপত্র কবিতা পাক্ষিক পত্রিকায় দীর্ঘদিন ধরে লেখালেখি করছেন। আমি
পাপিয়া গুহ মজুমদার-এর একটি না-গল্প
পাপিয়া গুহ মজুমদার-এর একটি না-গল্প পাপিয়া একজন সমাজবিজ্ঞানী। আপাতত ইয়র্কে থাকেন। একটি সাম্প্রতিক ঘটনা একজন দায়িত্বশীল বিশ্বনাগরিকের মনে যে গভীর অভিঘাতের ছাপ রেখেছে, এই লেখা তারই প্রতিক্রিয়ায়। ব্যাক্তিগত আলোচনায় অনুরোধ করেছিলাম ঐ ঘটনাকে আধার ক’রে আখ্যানের আদলে কিছু লিখতে, যা ব্রিটেনবাসী সকল অব্রিটিশ
প্রদীপ কুমার নাথ-এর দুটি কবিতা
প্রদীপ কুমার নাথ-এর দুটি কবিতা পেশায় শিক্ষক। Indian Periodical এবং Muse ইংরেজী পত্রিকায় ইংরেজী কবিতা, গল্প ও প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। এ-ছাড়া বাংলা ভাষার বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রধানতঃ কবিতা, অন্যান্য রচনাও প্রকাশিত হয়েছে। কবিতা ও প্রবন্ধ লিখতেই বেশি পছন্দ করেন। সাহিত্য ছাড়াও ভাষাতত্ত্ব অন্যতম
চেতনায় হানছে আঘাত
মণিপদ্ম দত্ত চেতনায় হানছে আঘাত কয়েকটি অহংকার নিয়ে আধুনিক বাঙালি জাতিসত্তার নির্মাণ। একুশে ফেব্রুয়ারি তার অন্যতম। আর আজকের বাঙালির আন্তর্জাতিক পরিচয়ের সঙ্গে একীভূত হয়ে গেছে একুশের অহংকার। একটি ভাষার ধর্মীয়, রাজনৈতিক ও ভৌগোলিক বিভাজনের ক্লিন্নতা অস্বীকার ক’রে মাথা তুলে দাঁড়ানোর ইতিহাস বাঙালীর সর্বোচ্চ
কিংবা কম্পনের নামই একুশ
লক্ষ্মী কান্ত মণ্ডল কিংবা কম্পনের নামই একুশ সকালবেলা ঘুম ভাঙলো যখন গতকালের প্রবাহ নিয়ে কুয়াশা থেকে বেরিয়ে আসতেই হয়, ভাঙলো তো ভাঙলো, জানলায় পাখিদের কিচির মিচির শুনতেই হয়। আশ্চর্য তাদের স্বর, আশ্চর্য তাদের অস্থিরতা। বুঝতে পারি তাদের মাঝেই আছে কোন সন্তান অথবা তারা কোন দম্পতি।
হে বঙ্গ ভান্ডারে তব
রানা সরকার হে বঙ্গ ভান্ডারে তব………. আমরা ‘কার্যকলাপ’, ‘আশেপাশে’, ‘বিষয়আশয়’, ‘আধিব্যাধি’, ‘বাসনকোসন’, ‘সাদামাঠা’, ‘অবরেসবরে’ ইত্যাদি শব্দ হামেশাই ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু ‘কার্য’ শব্দটির মানে জানলেও ‘কলাপ’ শব্দের মানে জানি কি? জানি কি ‘কোশন’, ‘আশে’, ‘মাঠা’, ‘আধি’ ইত্যাদি শব্দের মানে? জানি না। যখন বলি
কথা
রাধাবল্লভ চক্রবর্ত্তী কথা ছুঁলে খুব কেঁদে ওঠো — দূরে গেলে জেগে ওঠো। নীরব হ’য়ে থাকো — তুমি কি জন্মেছ ভাষার শরীর নিয়ে? অনুভব করে যাও, শব্দহীন হ’য়ে, তাপ, অনুতাপ। কী নিয়ে? এখনও বুঝে ওঠো না তুমি। প্রতিটি দিনের কিনার ভিজে আছে। কান্না
ভাষা ভাষা
বৈভব বসুর কবিতা কোয়ান্টাম পদার্থবিদ্যার তরুণ গবেষক। কবি ও কবিতা পাঠক। অন্যান্য সখের মধ্যে, ফটোগ্রাফি, ছবি আঁকা, খেলাধুলো এরকম অনেক কিছু। কবির নিজের উচ্চারণেঃ বিস্ময়ে, ভ্রমি বিস্ময়ে…। বৈভব বসু ভাষা ভাষা একদা এক ব্যাঘ্র আর এক বরাহ বৃহৎ এক চৌবাচ্চায় পড়িল একসাথে৷ ব্যাঘ্র
একুশ মানেই তো আত্মপরিচয়ের ঠিকানা
দেবদত্ত চক্রবর্তী একুশ মানেই তো আত্মপরিচয়ের ঠিকানা বাইবেলে ( Old Testament- জব বিষয়ক নীতি কথাতে) বর্ণিত জব, যিনি একজন সদাচারী সৎচরিত্র পিতা, স্বামী এবং সামাজিক মানুষ, তিনি চরম বিপর্যয়ে পড়ে সারা শরীরে রক্তক্ষয়ী ঘা নিয়ে, ভগবানকে উদ্দেশ্য করে নিজের জন্মদিনকে গালি দিয়ে বলছেন,