বহতা অংশুমালী মুখোপাধ্যায়ের দু’টি কবিতা
বহতা অংশুমালী মুখোপাধ্যায়ের দু’টি কবিতা বহতা অংশুমালী মুখোপাধ্যায় পেশায় প্রযুক্তিবিদ, নেশায় সিন্ধুলিপির গবেষক, আর দোষের দিক দিয়ে কবিতা। এখনো অব্দি তাঁর চারটি কবিতার বই প্রকাশিত হয়েছে (‘ঠুং শব্দ হলেই কবিতা’, ঐহিক প্রকাশনী ২০২০; ‘হৃদিশব্দ রুই মনে পড়ে’, সৃষ্টিসুখ প্রকাশন ২০২২; ‘রক্ত অব্দি গড়াতে
বর্ষা সংখ্যা
মণিপদ্ম দত্ত কক্ষপথ সম্পাদকের কলম থেকে দু’চার কথা রাধাবল্লভ চক্রবর্তী বর্ষা সংখ্যার অতিথি সম্পাদকের কলম থেকে কবিতা অমিত পাটোয়ারী রূপক চট্টোপাধ্যায় অমিত চক্রবর্তী অভিজিৎ সরকার তন্ময় ভট্টাচার্য দেবদাস রজক পারমিতা দে দাস সজল কুমার টিকাদার এমরান হাসান বিজয় সিংহ হিন্দোল ভট্টাচার্য পার্থজিৎ চন্দ
অহনা বসু
অহনা বসু বর্ষার গান বর্ষা ঋতু যেন নিজেই এক সঙ্গীত। গরমের শেষে যখন উত্তপ্ত পৃথিবীর বুকে রিমঝিমে জলধারা নেমে আসে, তখন প্রকৃতিতে বেজে ওঠে জলতরঙ্গ। বুক ভরে নিতে ইচ্ছে করে মাটির সোঁদা গন্ধ। দু’চোখ ভরে দেখে নিতে ইচ্ছে করে সদ্যস্নাত গাছপালার সবুজ।
দেবপ্রিয়া সরকার
দেবপ্রিয়া সরকার মেঘলাদিনের ওপারে -একটা দার্জিলিঙয়ের টিকিট দেবেন দাদা। কাউন্টারেরে অর্ধবৃত্তাকার ফাঁক দিয়ে হাত গলিয়ে টিকিট সংগ্রহ করল বছর ছাব্বিশের সীমান্ত। টার্মিনাসের একপাশে দাঁড়িয়ে থাকা দার্জিলিংগামী বাসে উঠে সিট নম্বর মিলিয়ে নিজের বসার জায়গা খুঁজে নিল সে। ব্যাগটা পায়ের কাছে রেখে
কৌশিক সেন
কৌশিক সেন বলাকাজন্ম “এই চঞ্চল সজল পবন বেগে, উদ্ভ্রান্ত মেঘে মন চায় মন চায় ওই বলাকার পথখানি নিতে চিনে……” আমারও তো মন খারাপ করে, বলো! স্পর্শচিকিৎসায় যে সকল রোগের নিরাময় সম্ভব, তার ভিতরই একখানা রোগে আক্রান্ত হই আজকাল। দু’দাগ ওষুধও লাগেনা
নির্মল রায়
নির্মল রায় কাটপিস ইদানিং কাঁচের জানালার ভেতর দিয়ে লালচে রোদ পেয়ে বাইরে তাকিয়ে দেখি ফেলে রাখা টবগুলো থেকে কিছু কথা উঠে আসছে আমার দিকে। ওগুলোতে মেরিগোল্ডের আগমনী। সকালে ঘাসের ওপর শিশিরের দানাগুলো আমার পায়ের কেডস ভিজিয়ে দেয়। মাঝেসাঝে রাতবিরোতে বিপিআই পলিটেকনিক ছাড়িয়ে
রানা সরকার
রানা সরকার বর্ষা মঙ্গল-অমঙ্গল কাব্য তাঁর বর্ষামঙ্গল কবিতায় রবীন্দ্রনাথ লিখেছিলেন – ‘ঐ আসে ঐ অতি ভৈরব হরষে জলসিঞ্চিত ক্ষিতিসৌরভরভসে ঘনগৌরবে নবযৌবনা বরষা শ্যামগম্ভীর সরসা’। তখন একটা সময় ছিল। যখন বর্ষাকাল ভাবলেই মনে পড়ে যায় কাদা প্যাচপ্যাচে রাস্তা। চলতে গেলে চটি জুতো
রিটন খান
রিটন খান পঞ্জিকা বলে তারিখ, কিন্তু বর্ষা—সে বলবে গল্প আষাঢ়-শ্রাবণ জুটি, মানে বর্ষা ঋতু, গ্রামবাংলার ক্যালেন্ডারে একেবারে আবেগী এক ধারা। তিথি, নক্ষত্র, পঞ্জিকা—এসব বড়ো শহরের ধর্মানুষ্ঠান; কিন্তু গ্রামের লোকেরা প্রকৃতির পাঁজি দেখে মাসের নামকরণ করে। হ্যাঁ, যেমন আষাঢ় এসেছে অসাড়তা থেকে। বৈশাখ
এমরান হাসান
এমরান হাসান আষাঢ় আকাশ— সুপ্রাচীণ মেঘের বাড়ি যেরকম।জানে এই পুষ্পিত গল্পকথাগুলো প্রকৃত পুষ্পিত নয়,যেমন ফুলেল নয় ফুল জন্মানোর ইতিবৃত্ত।জন্ম তো সুদীর্ঘ দুঃসহ জরায়ু তীব্রতা। অনিঃশেষ ইবাদতে নামে শব্দক্রমনিকাশোনে না কেউ প্রমত্তা জলের ওঙ্কার। রাতের কার্ণিশে নেমে আসে আশ্চর্য আয়োজনে কেউ কেউবৃষ্টির জলে ভেসে
সজল কুমার টিকাদার
সজল কুমার টিকাদার নীল নবঘনে এক আষাঢ় এলে আমার রমণের কথা মনে পড়ে। ভালবাসার মানুষটি তখন ছড়ানো আকাশ… আর, আমি তার বুকে ভেসে বেড়ানো একখন্ড