ধীরেন্দ্র আর ভুশার নস্টালজিয়া
ওবায়েদ আকাশ ধীরেন্দ্র আর ভুশার নস্টালজিয়া‘ধিরে, সুখ নাই।’[ভুশার একমাত্র ঘোড়াটি গতরাতে চুরি হয়ে গেছে। কিংবা ধারণা করা যায়, এ মুষল বৃষ্টিতে ঘোড়াটির দুরন্ত শৈশবের কথা মনে পড়ে যায়।] ‘কেন?’ —বলল ধীরেন্দ্র।আবার ধীরেন্দ্র কয়, ‘তোর থেকে ত্রি-দন্ত চতুর কেউ একজন ঘোড়াটির আজকাল খোঁজখবর নেয়।’ ‘ধিরে,
অরূপ গঙ্গোপাধ্যায়
অরূপ গঙ্গোপাধ্যায় জলস্মৃতি জলের ভেতরে খুঁজি অধরা শরীর কোথায় জলের দোষ, কোথা তার স্বেচ্ছাচার, সমস্ত ভাঙনের কাছে, জানা দরকার আজ! একদিন সবুজ ছিন্ন করা বিপর্যয় ক্রমশ সর্পিল পথে গৃ্হস্থের ঘরে সিঁড়িতে আশ্রয়—স্টোভ কেরোসিনে, হাতে মুড়িটিন আর একখানা
বিমান মৈত্র
বিমান মৈত্র ঋতু রূপান্তরকামী আমি সামনের দিকে এগিয়ে যাবার ঝুঁকি নিই, নিতেই হয় কেননা ততক্ষণে পিছনের দরজা, যেটা আরও অটুট, আরও আস্থাভাজন মনে হতো যখন তুমি সাথে ছিলে, মুখের উপর বন্ধ হলো ঠিক যেন সে সাথে নেই যেমন তুমি ও। ওই
ওবায়েদ আকাশ
ওবায়েদ আকাশ ধীরেন্দ্র আর ভুশার নস্টালজিয়া‘ধিরে, সুখ নাই।’[ভুশার একমাত্র ঘোড়াটি গতরাতে চুরি হয়ে গেছে। কিংবা ধারণা করা যায়, এ মুষল বৃষ্টিতে ঘোড়াটির দুরন্ত শৈশবের কথা মনে পড়ে যায়।] ‘কেন?’ —বলল ধীরেন্দ্র।আবার ধীরেন্দ্র কয়, ‘তোর থেকে ত্রি-দন্ত চতুর কেউ একজন ঘোড়াটির আজকাল খোঁজখবর নেয়।’ ‘ধিরে,
শামীম নওরোজ
শামীম নওরোজ বর্ষামেয়ে আকাশ জুড়ে মেঘের চাদর কখনো ধীর লয়ে কখনো প্রখর গতিতে নেমে আসে বর্ষামেয়ে প্রিয় বর্ষা, তুমি প্রকৃতির নান্দনিক কোলাহল ক্ষেতের ভেতর জল জমে পুকুরে আনন্দে নাচে হাঁসেদের জলীয় জীবন জলতরঙ্গে বাঁজে বর্ষামেয়ের নূপুর কাদামাটি
চন্দ্রাণী গোস্বামী
চন্দ্রাণী গোস্বামী বৃষ্টি অঝোর আমার বিষন্ন জন্মদিনে রৌদ্র দেখলে, গা জ্বালা করে। যেদিন দুপুর আর বিকেলের মাঝের ফাঁকা অংশে আমাদের দেখা হয়েছিল, সারাক্ষণ বৃষ্টি হল—- বৃষ্টি আর হাওয়া। ঝোড়ো-সময়। জানতে না, এরপর আর কোনোদিন দেখা হবে না আমাদের? বিদায়ের
মোহনা মজুমদার
মোহনা মজুমদার অভিকর্ষ প্রতিপাদ বিন্দুতে ভ্রম হয়ে দাঁড়ায় যে পথিক আমি তার সম্মুখে আরও অন্ধ হই , ভ্রমরব্যাকুল আত্মপ্রতিকৃতি দহনের কোনো দেশ হয়না যেমন পোড়ায় যতো , নিজেও পোড়ে অধিক তোমায় তবে আগুন বলেই ডাকি একথা জানার পর চিবিয়ে খাও রক্তের স্বাদ পুড়িয়ে
সব্যসাচী মজুমদার
সব্যসাচী মজুমদার চেনা ভাষার মতন চেনা ভাষার মতন তোমার সন্তান, তোমার রোদ্দুর, তোমার আখ্যান — সব দেখতে পাচ্ছি। তুমি ফিরে পেতে চাইছ বনবাস, ধ্যানের মুদ্রাগুলো। তুমি পেতে চাইছ তোমার স্বাভাবিক আক্রমণ ও স্তোত্র। বুঝতে পারি, এই নস্ত্রাদামুস, এই উপকাহিনিরা তোমার মনের
রুমেলা দাশগুপ্ত
রুমেলা দাশগুপ্ত কী নামে চিনেছ তবে? বলতে ইচ্ছে হয়, তোমাকে দেখেছি বিরহে ঘিরেছ মেঘ, ধারণ করেছ সে রূপ অনতিক্রম্য, কালো মেঘে তুমি কোনো নাম, শুকনো কাপড় উড়ে গ্যালো যেই আমিও স্থির- জল নেই, সেতু নেই, বাড়ি নেই শুধু দুটো ডাঙ্গা, আমি জলের
অমিতাভ সেন
অমিতাভ সেন তামান্না বরিষনে যেন করুণ, মলিন, শস্যময় প্রান্তরের অপেক্ষমাণ, প্রিয়হীন আবাস! দংশনের চিহ্ন চুচুকে, অবনত আশ্লেষে… হেলায় হারায় তামান্না ধর্মগ্রাসী উল্লাসে। হরফ মোতাবেক গাঁথা মাল্য ঝরে কেবল অকালকুসুম উরসে… অহেতুক জননে। ভূমি