Email: editors.kokshopoth@gmail.com
August 30, 2026
Kokshopoth

তৃষ্ণা বসাক-এর মায়া গদ্যঃ- মায়া-মফস্বল ও ক্যাংলাস পার্টিরাঃ

Aug 28, 2026

ধারাবাহিক মায়াগদ্য
তৃষ্ণা বসাক-এর মায়া গদ্যঃ- মায়া-মফস্বল ও ক্যাংলাস পার্টিরাঃ
দ্বিতীয় ভাগ পর্ব #২০

তৃষ্ণা বসাক আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একটি অতিপরিচিত প্রিয় নাম। জন্ম কলকাতা । যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.ই. ও এম.টেক.। সরকারি মুদ্রণসংস্থায় প্রশাসনিক পদ, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিদর্শী অধ্যাপনা, সাহিত্য অকাদেমিতে অভিধান প্রকল্পের দায়িত্ব – বিচিত্র ও বিস্তৃত কর্মজীবন। বর্তমানে পূর্ণ সময়ের লেখক ও সম্পাদক। কবিতা, গল্প, উপন্যাস প্রবন্ধ মিলিয়ে গ্রন্থ সংখ্যা ৬৫-রও বেশি। সাহিত্য অকাদেমির ভ্রমণ অনুদান, বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদের ইলা চন্দ স্মৃতি পুরস্কার সহ পেয়েছেন অন্যান্য বহু পুরস্কার। হিন্দি, মালয়ালম, ওড়িয়া ভাষায় গল্প অনূদিত। মৈথিলী থেকে অনুবাদ ও কল্পবিজ্ঞান রচনায় সাবলীল ।

ক্যাংলাস প্রজাতি চিনিবার সহজ উপায়

 

ক্যাংলাস লিখছি তা ঢের দিন হয়ে গেল। প্রথম লপ্তে লিখেছি মূলত সংবাদ প্রতিদিনের পেজ ফোরে ধারাবাহিক ভাবে পোস্ট এডিট হিসেবে, তা সে কুড়ি কুড়ি বছরের পার হল বৈকি। আর এ লপ্তে লিখছি  কক্ষপথ অনলাইনে দত্তকুলোদ্ভব মণিপদ্মবাবুর অনলাইন পত্রিকা কক্ষপথে। এই কুড়ি বছরে দেশটা কতবার যে উলটে পালটে গেল, আমিও যে কত অবতারে ভাঙতে ভাঙতে চুরতে চুরতে হাওয়ায় গুঁড়ো গুঁড়ো হয়ে মিশে গেলাম, তারপর আবার ইন্দ্রজালের কৃপায় সেই গুঁড়ো জুড়ে নতুন অবতারে গজালাম, সেসব ভারি গভীর তত্বকথা। সেসব বোঝানোর জন্যে এ দপ্তর খুলে বসিনি। আজ আমি বলতে চাই খুব প্রাথমিক একটি কথা, একটা টিপস ই বলা যায়, যা জানা থাকলে জীবনপথে চলতে আপনাদের কোন অসুবিধেই হবে না। রান্নার ভ্লগ করেন যারা, তাঁরা দেখবেন একেকদিন দুরূহ রান্না না শিখিয়ে খুন্তি ঝাঁঝরি কোত্থেকে কিনেছেন, আভেন কীভাবে সাফ রাখবেন- এইসব শেখান । আমিও আজ আপনাদের একটা খুব কাজের একটা টিপস দিই। কী করিয়া ক্যাংলাস চিনিতে হয়।

 

 

কী করিয়া ক্যাংলাস চিনিতে হয়- তা আমি আর্থ সামাজিক, পরিবেশ , জিনগত আরও সাতশো তেত্রিশ রকমে বুঝিয়ে দিতে পারি। কিন্তু দেখে মনে হলেও আসলে আমি অতটাও নিষ্ঠুর নই। আমি খুব সহজ করে বুঝিয়ে দেব, মগজে গজাল ঠুকে।

 

১ ক্যাংলাসরা কোনদিন ভাল মিষ্টি, মানে কুলীন মিষ্টি খাবে না । কখনো দেখবেন না এরা ভাল সন্দেশ কালাকাঁদ এসব খাচ্ছে। এরা কেবলই খুঁজবে কোথায় মেলার জিলিপি, কিটকিটে মিষ্টি রসমুণ্ডী কিংবা বোঁদে পাওয়া যায়।

 

 

২ কাফে তে বসার নাম হলেই এরা কেঁপে যাবে। বলবে ‘চলুন না ঐ তো আমাদের পাড়ার পঞ্চাদার দোকানে দিব্যি বেঞ্চ পাতা আছে। যতক্ষণ খুশি বসা যায় পাঁচ টাকার লাল চা নিয়ে । ওখানে বসেই আমরা কথা সেরে নেব কেমন?’

 

 

৩ ক্যাংলাস পার্টি কোনদিন ব্র্যান্ডেড জামা পরতেই পারবে না। জামা কখনো পরলেও জুতো তো নৈব নৈব চ। তাই দেখবেন রাস্তায় মাঝে মাঝেই তাদের পদস্খলন মানে জুতোস্খলন হয়। লেংচাতে লেংচাতে এরা হন্যে হয়ে মুচি খুঁজে বেড়াচ্ছে দেখতে পাবেন। অনেক সময় সে জুতো বা চটি সারানোর এতই অযোগ্য যে নিজের একপাটি অক্ষত চটির সঙ্গে মুচির দেওয়া নমুনাচটি অন্যপায়ে পরে এরা ঘরে ফেরে!

 

 

৪ ক্যাংলাস পার্টির ব্যাগে সবসময় আধখানা বিস্কুট, একটা আধ খাওয়া চিঁড়ে ভাজার প্যাকেট, খানিক খাওয়া বাদামছাপা পাওয়া যায়। বাসের টিকিট, ঝালমুড়ির ঠোঙা, এমনকি মুচড়ে ফেলা খালি কফির কাপ এসবও পাবেন। কিন্তু অ-ক্যাংলাসরা যেখানে বড় বড় গাড়ি থেকে রাস্তায় চিপসের খালি প্যাকেট বা জলের খালি বোতল ফেলতে ফেলতে যায়, রাবণের রথ থেকে সীতার অলংকার ফেলার কায়দায়, তেমনটা কিন্তু ক্যাংলাসরা জিন্দেগীতে করবে না। তারা কিছু খেলে তার চিহ্ন রাস্তা ঘাটে রেখে আসে না, ব্যাগে বয়ে নিয়ে আসে, আর বেশিরভাগ সময়েই তা বার করতে ভুলে যায়।  আর কোন এক সোনালি সকালে যদি তাদের ব্যাগ সাফ করার মন হয়, তবে তাদের ব্যাগ থেকে বেরিয়ে আসে তাদের পথভোজনের ইতিহাস। আইসক্রিমের কাঠি, মোচড়ানো কফির কাপ, ঝাল্মুড়ির ঠোঙা, বাসের টিকিট—না না বাসের টিকিট তারা মোটেও খায় না, ভারি বিচ্ছিরি খেতে। তারা যে বাসেই চাপে তা বোঝাবার জন্যেই টিকিটের কথা বলা হল।

 

 

৫ কোথাও নেমন্তন্ন হলে এখনো এ যুগেও  যাহারা দাঁত বার করে বলতে পারে ‘বাস রুটটা একটু বল, নিয়ারেস্ট মেট্রো কোনটা রে? মোড় থেকে কতটা হাঁটা  গো? আবার রিকশা নিতে হবে নাকি?’ তাহারাই প্রকৃত ক্যাংলাস।

 

 

৬ যাহারা নেমন্তন্ন খেতে গিয়ে গোপনে দু চারটে স্টার্টারের ফিশ বল বা পনির টিক্কা টিসু পেপারে মুড়ে সরিয়ে নিয়ে আসে বাড়িতে থাকা অনিমন্ত্রিত সদস্যদের জন্য, তারা অবিসংবাদিতভাবে ক্যাংলাস। এইসব গোপনে আনলেও পান এরা প্রকাশ্যেই আনে। এক একজন গড়ে চার পাঁচটি পান  নিয়ে আসে। এদের দেখলেই পান কাউন্টারের লোকটি সন্ত্রস্ত হয়ে ওঠে। এবং এদের ‘আমাকে মিঠে পাতা স্রেফ সুপুরি দিয়ে, চমন বাহার একদম দেবেন না, কিংবা বেশি করে চমন বাহার দিন’- এইসব নির্দেশ যেন এরা শুনতেই পায়নি এমন ভাব করে।  এদের দেখেই কবি লিখিয়াছেন ‘ পান খায়ে সাঁইয়া হামারো, মলমল কে কুর্তে মে ছিট লাল লাল’ পান যে কলংকের প্রতীক তা ক্যাংলাসরা এই যুগে নতুন করিয়া প্রতিষ্ঠা করিয়াছেন।

 

 

৭ বিয়ে বাড়ি থেকে খাবার সরালেও উপহার দেবার ব্যাপারে কিন্তু এরা খুবই দিলদরিয়া। অ-ক্যাংলাস প্রজাতি নেমন্তন্ন খেতে হাতে করে কিছু নিয়ে যাওয়ায় বিশ্বাসই করে না। যদি বা নিয়ে যায় তবে তা একটা ফুলের বাহারি বোকে, যা কয়েক ঘণ্টা পরেই ভাড়া করা ম্যারেজ হলের ট্র্যাশ ক্যানের শোভা বর্ধন করে। কিন্তু ক্যাংলাস পার্টি অত্যন্ত রিলিজয়াসলি প্রতিটি নেমন্তন্নে উপহার নিয়ে যাবেই। এর জন্যে তারা সারা বছর ধরেই কিছু না কিছু কিনে রেখে গৃহস্থের সাশ্রয় করার চেষ্টা করে, এবং কে কী পেলে তার কাজে লাগবে, সেই নিয়ে ক্যাংলাস বাড়িতে বহু উত্তপ্ত বাকবিতণ্ডা হয়। কর্তার আবার ‘কাজে লাগার’ একটা বিচ্ছিরি ব্যামো আছে, তিনি চান এমন কিছু দিতে যা মানুষের কাজে লাগে। তিনি তাই নব দম্পতিকে ছাতা রেনকোট এমনকি গামবুট অব্দি দিতে চান। শোনা যায় হনিমুনে কেউ লাদাখ যাবে জানতে পেরে তিনি নাকি ইনহেলার ও কোপা থার্টি কিনে ফেলেছিলেন। গিন্নি জানতে পেরে সে দুটো জানলা দিয়ে ছুঁড়ে ফেলার চেষ্টা করেছিলেন। যদিও তার আগে কর্তা সে দুটি অতি মূল্যবান বস্তু চকিতে সরিয়ে ফেলেন। শোনা যায় সে দুটি যাতে নষ্ট না হয় তার জন্যে তিনি লাদাখ ট্রিপ বুক করেই ফেলেছেন। (বজ্র আঁটুনি ফস্কা গেরোর চূড়ান্ত উদাহ্রণ) যাই হোক গে, তাঁর এত ভ্যালু অ্যাডেড উপহারের বাই দেখে গিন্নি বলেছেন এবার থেকে বিয়েবাড়িতে তরমুজ দেবেন। কারণ এই ফলটি গায়ে গতরে  বেশ নধর, তার ওপর এর বহুমাত্রিক ব্যবহার আছে। তার পর থেকে দুজনের কথা বন্ধ আছে।

 

 

৮ ক্যাংলাস প্রজাতির একটি অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে কাজে লাগবে, নষ্ট হবে না। এই বিষয়ে চরম উদাহরণ ছিলেন আমার জননী ঠাকরুন। তিনি ছানার ডালনা করতেন ছানা কাটা জল দিয়ে, আর সে যে কী হাকুচ টক, সে যে না খেয়েছে তাকে বোঝানো যাবে না। কারণ ছানা কাটা জল নষ্ট করা যাবে না। এই ভাবে তিনি আমাদের অনেক কিছুই সফল ভাবে খাইয়ে দিতেন। তরকারিতে হলুদ বেশি পড়ে একদম তেতো হয়ে গেছে, নালিশ করতে গেলে শুনতে হত- চুপচাপ খেয়ে নে। হলুদে গায়ের পোকা মরে।

 

একইরকম ভাবে জলে পিঁপড়ে ভাসলে ভুল করে গিলে ফেলে তাঁকে ‘দেখে জল দিতে পারো না?’ বলতে গেলে শুনতে হত ‘পিঁপড়ে খেলে সাঁতার শেখে। খেয়েছিস ভাল করেছিস।‘

 

তাঁর নষ্ট না করার একটা চরম উদাহরণ এবার দিই। একবার চিকিৎসার জন্য ভেলোর যেতে হয়েছিল। তখন সত্য পিতৃহারা। মা আর আমার সঙ্গে আরও দুজন গেছেন। রাস্তাঘটে লাগতে পারে ভেবে বিপুল আয়তনের একটি ওষুধের পুঁটুলি গেছে। ট্রেন বলে রক্ষে। ফ্লাইটে হয়তো অতিরিক্ত মাশুল গুনতে হত। বাড়ি ফিরে মা ডুকরে উঠেছিল। সবাই উদবিগ্ন হয়ে বলল ‘কিছু ফেলে এসেছ নাকি?’

 

মা সেই ওষুধের পুঁটুলিটা ব্যাগ থেকে বার করতে করতে হতাশ গলায় বলল ‘ শুধু শুধু ওষুধ গুলো বয়ে নিয়ে যাওয়া হল! একটাও কাজে লাগল না। যেমনকার তেমন ফিরে এল!’

 

 

৯ সব কিছু কাজে লাগাতে চায় বলেই ক্যাংলাসপার্টিরা প্রাণে ধরে কিছুই ফেলে না। আদমের সময়কার হ্যান্ডবিল, আইসক্রিমের বাটি চামচ, বিয়ের কার্ড । বাসের টিকিট। ছিঁড়ে যাওয়া হারের পুঁতি। খবরের কাগজ ও ইলেক্ট্রিকের বিল (এগুলো দরকারি অবিশ্যি),  রিফিল হীন ডট পেন, পেনের স্প্রিং, এমনকি নতুন শাড়ির ভেতরে দেওয়া একফালি কাগজ, কাগজের ঠোঙা বাঁধা দড়ি, সব কিছুই রেখে দেওয়া হয়। তবে কিনা দরকারের সময় এগুলো কিছুই পাওয়া যায় না। বাড়িতে বিয়ে লাগলে স্যাম্পেল হিসেবে  জমানো বিয়ের কার্ডের যখন খোঁজ পড়ে, তখন  তা কিছুতেই পাওয়া যায় না, এ ওকে হুলিয়ে দোষ দিতে থাকে। ক্যাংলাস বাড়িতে সবচেয়ে যে জিনিসটি পাওয়া যায় না, তা হচ্ছে পেন। বাড়িতে যদিও দুপিস স্কুলের ছানা আর দুপিস চাকুরে মজুত থাকেও তাহলেও দেখা যায়  একটাও লেখার মতো কলম কেউ বার করে দিতে পারেন না।

 

 

১০ আরেকটি ক্যাংলাস চেনার উপায় কিছুদিন আগেও ছিল। তা হল বছরে একদিন সপরিবারে পুজোর বাজার। এবং বাড়িতে অতিথি এলেই সেই বাজার নিষ্ঠার সঙ্গে দেখানো। পুজোর বাজার দেখেই অতিথি জানতে পারতেন, গতবার যে নীলাকে চুড়িদার দেওয়া হয়েছিল, সে এখন শাড়ি ধরে এই পরিবারের প্রভূত সাশ্রয় করে দিয়েছে। এক তো একটা ভদ্র মতো সালোয়ার সেট শাড়ির তুলনার বেশি দামের, আর গতবার মাপ নিয়ে সমস্যা হওয়ায় দুই পরিবারের মধ্যে মুখ দেখাদেখি বন্ধ হয়ে গেছিল প্রায়। এই লোডশেডিং শাড়িটা দিয়ে আবার সীমান্ত খোলার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।  নীলার শাড়ি কিনে যেটুকু সাশ্রয় হয়েছে, বুজুর ফুলপ্যান্ট কিনতে গিয়ে তার ডবল খরচা হয়ে গেছে। অতিথির মনে পড়ে সত্যি তো বুজুকে গতবার হাফ প্যান্ট দেওয়া হয়েছিল।  এই বুজু বা নীলাকে তিনি কোনদিন চোখে দেখেননি, দেখবেন এমন কোন সম্ভাবনাও নেই, কিন্তু এই পুজোর বাজার দেখানোর ক্যাংলাস পরবের মাধ্যমে তিনি এক বৃহত্তর পরিবারের অংশ হয়ে যেতেন।

 

তবে সে দিন গিয়াছে। এখন সপরিবারে বাজার ক্যাংলাসদের মধ্যেও উঠে গেছে। বাড়িতে যিনি থাকেন তিনি সারাদিন অজস্র ওটিপিতে ডুবে থাকেন। মুহূর্মুহূ যে জিনিস আসে, তা কাউকে আর জাঁক করে দেখানো হয় না। কারণ যিনি দেখবেন তাঁর পরিবারেও ওইরকম জামা এসেই চলেছে।

 

হায়, তবে কি ক্যালাসের দিন গিয়াছে ? তা কেন? তাঁরা এর মধ্যেই অভিযোজিত করে নিয়েছেন নিজেদের। জামা এলে পরে সেলফি তুলে কোন একটা ডিফেক্ট দেখিয়ে ফেরত পাঠিয়ে নিত্য নতুন পোশাক পরার কৌশল উদ্ভাবনের পথে চলেছেন তাঁরা!

5 Comments

  • এরকম স্বাদু লেখন অল্পে খুশি হব কি করে! পুরো ক্যাংলাস বচন কোথায় কিভাবে পাওয়া যায় যদি বাতলে দেন, উপকৃত হই।
    হ্যাঁ অফলাইন পদ্ধতি বেশি পছন্দ, অনলাইনে সুখ পাই না।

  • আর একটি জিনিস ক্যাংলাসরা কেউ কেউ করে থাকেন, তা হল বিয়ে বাড়ির মেনু কার্ড সংগ্রহ করা। আর এক জনকে দেখেছি তিনি তাঁর ছেলের বিয়ের উপহার দু চারটে সরিয়ে পরে কোনো নিমন্ত্রণে হস্তান্তর করে দেন।
    লেখক এঁদের ক্যাংলাসপার্টির সদস্যপদ দেবেন কিনা বলতে পারবো না🙏❤️

  • দুর্দান্ত!

  • খুব ভাল এবং মজার লেখা। অনেক চরিত্র ভেসে উঠলো।

  • চমৎকার, উপভোগ্য,মুচমুচে চলুক

লেখাটির উপর আপনার অভিমত জানান।

Your email address will not be published. Required fields are marked *