১
তন্তুবীজ, নিভৃত সুখের
মেদুর ধরে সক্কাল সক্কাল দাঁড় করিয়ে দাও
আকাশ ওড়ে,পক্ষীরাজে গাঢ় করে ভ্রমণের দশা
ইহভিন্ন কোন সুখ তোমার বনাম ঠেকিয়ে
অসতর্ক হলে
পিছলে পড়া ভেদবিন্দুর স্থূল,পুরাণের অনাজময় নিশ্চিত তুমি, আমিই বর্ণমালা সখী !
দুটো ছবি চতুর্দিকে সংসারজল,অন্ধ রাখার মত দিন বয়ে যায়,
কালিয়া দমন খেলাও, ছোড়ো পাশার চাল
পাশাপাশি দুটো পুতুল , পিঠোপিঠি প্রায়জন্ম,এক খাবলা লাল ষাটিকার ঘ্রাণ,কলাপাতায়,কচুপোড়া সাজাও,নিত্যবিষাদে যাহা কিছু পুড়ছে ও পোড়ে
অসুখ মাপো,
ক্ষুধার সাথে আত্মঘৃণার সজীবন
রন্ধ্রে রন্ধ্রে বসে থাকা অভাব ,স্বরুপ নাই নিত্যকেশী,নুনপোড়া রক্ত ভীষণ
ঘটকী এগিয়ে চলে,সাদা ক্ষুব্ধ ও সবাক স্বাস্থ্য লেখা
ভাঙতে ভাঙতে ঘুমের ঘোরে পাওয়া
এত কেন আঠাল,শরীর পেঁচিয়ে ছড়িয়ে ফ্যালো শাখাপ্রশাখা
মৃত্যুর মত অবশ হবে?
পূর্ণদৈর্ঘ্যের অতি জলজ বনায়ন প্রেমিক
দেবো আকাশ কাব্যমালায়
২
সরব হল রহস্য দপ্তর
পড়েছো তাকে? মৃত্যু ভালে
দৃশ্য প্রেমিকার মন,অর্ধ যখন
শেষ দৃশ্য তরলতম,আরো সরল যাপন
মেঘ বৃষ্টিকে কিছুই লেখা হয়নি
মার্জনীয় করো, বিক্ষিপ্ত মগজ
আমার ভাত বাঙালি হৃদয়, যত স্বপ্ন ভাঙার ভয়
ভগ্নকে সহায় দিয়ে ভেঙেছো যে প্রাচীর
বলে রাখি তোমার দুটো দাঁত আজও সজীব
দুধভাতের জটিল খাও,আমিষ ও পানাহার।
তারপর একটিমাত্র হাত নিয়ে, চোখে না দেখার মত ঝাপসা ওয়াইপার
দুটো হাত সংবদ্ধ দূরত্ব রেখে, মুদ্রা ভেঙে সরে যাচ্ছে, বিকেলের লেজখসায়
যতিচিহ্নও খসে গেছে কখন
বালকবয়সে টিকটিকি পড়ে।
কাঁকড়া ও ঝিনুক,নিতান্ত চলনসই
গেড়িগুগলি ধাতে রাত কিনে খেয়েছি বিষাদ
চেখেছি সুন্দরী সুপর্ণখার নাক
পাহারায় মত তখনো আসেনি বনভয়েজের প্রস্তাব
হেটে চলেছি কথায় কথায়, একান্তে,
মুখোমুখিহীন
পিঁপড়ের অলিন্দ রেখে সহজ পৃষ্ঠার মত
ভাবছি দিকশূন্য রাত্রির কবিতা লিখব ।
অবুঝ হবো আরো, মূলত শিশু হব
দূর্বাঘাসের বাতাসে জেগে উঠবে প্রেমিকজোড়ের হাসি
সিংহ শিশুর বিন্দুসার চোখে
সাত ঘুমকাতুরের গুহায় তাকাই আবার ।