# ১
শান্তিস্থাপন
আমি তো শান্তির জন্য চালিয়েছি লাঠি
প্রতিটা মারের গায়ে শান্তি লেখা আছে
যখনই সপাং নামে তোমাদের গায়ে
জেনে রেখো, শান্তিবাক্য লালিমা ফুটেছে
আমি তো জ্ঞানত কোনও অন্যায় করি না
অজ্ঞান হলে কি এত সর্বপাপহর
হওয়া যেত, সহ্য করে নীল হয়ে গেছি
নাও এ-প্রসাদ, নাও শাসন, সুবিধা
আমি আছি তাই শান্তি লাঠিতে সীমিত
অন্য-কেউ হলে, গুলি চালাত প্রথমে
সে-ই তো পরম শান্তি, অত শান্ত হয়ে
কী লাভ, পিটিয়ে তাই বার্তা জানিয়েছি
এ-রাজ্য আমার, একে উত্যক্ত কোরো না
নতুবা লাঠিতে হবে শান্তি-আলোচনা
#২
ভয়
সমস্ত তর্কের শেষে পড়ে রইল ঝাঁ-ঝাঁ কান
হাত-পা ভাঙার হুমকি, অকথ্য ভাষায়
আরও যা-যা বীরদর্প, মেনে চললে ভদ্রলোক
নইলে ‘তোমাকে শালা দেখে নেব’, চোখ
মস্তানের মতো জ্বলছে— মাস্তানির দেখেছ কী—
টিকে থাকতে হলে কোনও ট্যাঁ-ফোঁ চলবে না
টিঁকে তো থাকতেই হবে, বাধ্য হয়ে চলি তাই
দলে নাম লেখাইনি যেহেতু
#৩
ভ্রমণ
সঠিক অরণ্যে গেলে, পেখম-সুবিধা
বিনামূল্যে পেয়ে যাবে গূঢ় উত্তরণ
যে-মেঘে বসতি ভাঙে, বৃষ্টি শুরু হয়
সঠিক অরণ্যে তারও রাধাঅঙ্গ লীন
দ্বিপ্রহরে শুরু হল একেকটি ভঙিমা
বেলা গর্জে মুহুর্মুহু, বাঁচাও বাঁচাও
অরণ্য সঠিক, কিন্তু যতটা বন্দুক
ছিটকে চলে আসা আজও বিকল্প পেল না
অতএব কী সিদ্ধান্তে দাঁড়াবে ভ্রমণ
সীমান্ত অথবা ঘোর অভ্যন্তরভাগ
সঠিক অরণ্য শুরু স্বস্তি দিয়ে হয়
ক্রমশ পেখম, রক্ত, বারুদের দাগ
পুরুষের মৃতদেহ, নারীর সোহাগ
নারীর অমৃতদেহ, পুরুষ, সোহাগ