কাঠের টেবিল আর
বিমান মৈত্র-র দুটি কবিতা রিটায়ার্ড ইঞ্জিনিয়ার। জুটমিলে দীর্ঘ দিন চাকরি করার পর ২০০৮ থেকে পেশা জুট কনসাল্টান্সি । ছাত্রাবস্থায় কবিতা লেখা শুরু। তবে বিভিন্ন ব্যাক্তিগত কারণে লেখালেখি থেকে বিচ্ছেদ কাল প্রায় চুয়াল্লিশ বছরের। করোনাকালে নতুন করে শুরু। তারপর থেকে বিভিন্ন লিটল ম্যাগাজিনে লেখালেখি।
আঘাত
তৃষ্ণা বসাক-এর গল্প তৃষ্ণা বসাক আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একটি অতিপরিচিত প্রিয় নাম। জন্ম কলকাতা । যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.ই. ও এম.টেক.। সরকারি মুদ্রণসংস্থায় প্রশাসনিক পদ, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিদর্শী অধ্যাপনা, সাহিত্য অকাদেমিতে অভিধান প্রকল্পের দায়িত্ব – বিচিত্র ও বিস্তৃত কর্মজীবন। বর্তমানে পূর্ণ সময়ের লেখক ও
পতিতার পেন্টাগন
রাহাতুল কিফায়েত-এর কবিতাগুচ্ছ জন্মস্থান ঠাকুরগাঁও, বাংলাদেশ। ছেলেবেলা কেটেছে মা, বাবা, নানা, নানীর উষ্ণ স্নেহের আবহে। কৈশোর ধান ক্ষেতের প্লাবিত সবুজে আর বয়ে যাওয়া নদীর শীতল সারল্য নিয়ে। এখন প্রকৌশল অধ্যয়নরত। লেখালেখি ছাড়াও উৎসাহ সঙ্গীত ও দর্শনে। কবিতায় শব্দ ব্যবহার নিয়ে সচেতন পরীক্ষা নীরিক্ষায়
মধ্যরাতের আকাশ
রশীদ হারুণের কবিতাগুচ্ছ বসবাস খুলনা, বাংলাদেশ। লেখালেখির সূত্রপাত নব্বইয়ের শেষার্ধ থেকে। মাঝে লম্বা বিরতি। ২০১৯ থেকে আবার লিখছেন। মূলতঃ লিটলম্যাগে লেখেন। কবিতাই লেখেন। তবে সংখ্যায় কম। দীর্ঘ বিরতির পর নতুনভাবে কবিতা লেখা শুরু করেছেন। নিরিবিলি থাকতে পছন্দ করেন। একটি মাত্র কাব্যগ্রন্থ – কথানহর।
মনু পক্ষের এক ‘কৌরব’
শাশ্বত বোস-এর আখ্যান জন্ম ১৯৮৯-এ পশ্চিম বাংলার শ্রীরামপুরে শহরে । একটি বহুজাতিক সংস্থায় কর্মরত। পেশায় সফটঅয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। ছোটবেলা থেকেই লেখালেখির সঙ্গে যুক্ত। বিভিন্ন নামী পত্রিকা যেমন সন্দেশ, জোয়ার, কোরক, পথ ও পাঁচালি ইত্যাদি পরিবারের তিনি নিয়মিত সদস্য ছিলেন । বহু স্বনামধন্য লেখক-লেখিকাদের সাথে
সৌমাল্য মুখোপাধ্যায়ের কবিতাগুচ্ছ
সৌমাল্য মুখোপাধ্যায়ের কবিতাগুচ্ছ কবির নিজের কথায়ঃ “বাংলা ভাষার এক গদ্য ও কবিতালেখক, এ’ছাড়া সৌমাল্য মুখোপাধ্যায়ের অন্য কোনো পরিচয় আছে কি? বর্ধমান-নিবাসী যদিও, কিন্তু বিশ্বাস, বাস করেন মাটির তলায়। লেখা ও গ্রন্থপাঠ ছাড়া অন্য সবকিছু থেকে মানসিকভাবে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছেন বহুদিন। মনে করেন কাম্যুর
পারের কড়ি
অভিজিৎ সেন-এর গল্প অভিজিৎ সেনের পরিচিতি দেওয়াটা তন্নিষ্ঠ পাঠককুলের কাছে নেহাৎই ধৃষ্টতা । অভিজিৎ সেন এমনই একটি নাম যা বাঙলা সাহিত্যে এক স্বতন্ত্র ধারার জন্ম দিয়েছে। এবং আজও তা সমবেগে ধাবমান। বাঙলা গদ্য সাহিত্যের ইতিহাস অভিজিৎ সেন ছাড়া অসম্পূর্ণ থাকবে। পূর্ব বঙ্গের বরিশাল
ফ্লো নাম্নী রমণী
অর্দ্ধেন্দু শেখর গোস্বামীর শিম্পাঞ্জি কথা প্রথম পর্ব ১৯৫১ সালে পশ্চিমবঙ্গের অখণ্ড মেদিনীপুর জেলার পশ্চিমতম প্রান্তের এক অজ গাঁয়ে জন্ম। সরকারি কর্মে রাজ্যের সর্বত্র বসবাস। অবসরের পর চন্দননগরে স্থিতি। বর্তমানে পূর্ণ সময়ের লেখক, সম্পাদক এবং তন্নিষ্ঠ পাঠক। আসল পরিচিতি ছড়িয়ে আছে তাঁর লেখা গল্প,
আমি যুধিষ্ঠির
দেবব্রত রায়-এর গল্প বাড়ি, বাঁকুড়া জেলার বিষ্ণুপুর শহরে। কবিতা এবং গল্প দুটোই লিখতে ভালোবাসেন। নিজেকে শূন্য দশকের কবি বলতেই ভালোবাসেন।সাহিত্যের বিশেষ করে কবিতার বিষয়, পোস্টমডার্নিজম।যুবমানস, কলেজস্ট্রিট দৈনিক সংবাদ সহ বিভিন্ন পত্রপত্রিকাএবং পোস্টমডার্ন কবিতার অন্যতম মুখপত্র কবিতা পাক্ষিক পত্রিকায় দীর্ঘদিন ধরে লেখালেখি করছেন। আমি
পাপিয়া গুহ মজুমদার-এর একটি না-গল্প
পাপিয়া গুহ মজুমদার-এর একটি না-গল্প পাপিয়া একজন সমাজবিজ্ঞানী। আপাতত ইয়র্কে থাকেন। একটি সাম্প্রতিক ঘটনা একজন দায়িত্বশীল বিশ্বনাগরিকের মনে যে গভীর অভিঘাতের ছাপ রেখেছে, এই লেখা তারই প্রতিক্রিয়ায়। ব্যাক্তিগত আলোচনায় অনুরোধ করেছিলাম ঐ ঘটনাকে আধার ক’রে আখ্যানের আদলে কিছু লিখতে, যা ব্রিটেনবাসী সকল অব্রিটিশ