Kokshopoth সৌম্য করের কবিতা kokshopoth Aug 28, 2026 সৌম্য করের কবিতা সৌম্যর নিজের কথায়‘এক জলমগ্ন রাতের গর্ভ চিরে কলকাতার বুক থেকে জীবন শুরু, বেলঘরিয়ার ছায়া পেরিয়ে আজ তিনি কল্যাণীর মায়াবী কুয়াশায় থিতু। অনুশাসন আর যুক্তির কাচভাঙা আলোয় গড়ে ওঠা সৌম্য কর আপাতদৃষ্টিতে শৈশবের রূপকার, অথচ গভীরে তিনি অন্ধকারের শব্দশিকারি ও আলোর অতন্দ্র কারিগর।‘ ১সময়ের ছায়ামলাট বর্ষার দুপুর নিঝুম হলে-বারান্দায় এসে থিতু হয় একলাএক চিলতে রোদ। ভিজে মাটির সুবাসেম-ম চারদিক। আমি তার গা ছুঁয়ে দাঁড়াই,নিঃশব্দে হাত বাড়াই… উঠোনজুড়েধীরে ধীরে ফুরিয়ে আসে ছায়া। ২হাটের শেষ দাবাড়ু সমস্ত দান ওলটপালট করে দিয়ে-এখন এক শূন্য বোর্ডের দিকেতাকিয়ে আছি,যুযুধান দুই পক্ষ। অথচ মৃত ঘুঁটিগুলো এখনও কেমন জেদি। হার-জিতের ঘোর কাটার আগেইখাতায় হিসেব কষে নিচ্ছে-স্মৃতি অথবা চিতা। ৩মহাজাগতিক নুন ভাঙা আয়নার ওপারেগলিত কুয়াশার মতো ফেরে পুরোনো চিল,বদ্ধ কপাটে ফেলে নখের আঁচড়। সে যদি এসে,আজন্মের বোবা পাথরে একফোঁটা চেনা জল দেয়,মাঝরাতে নাম ধরে ডাকে ভাঙা সেতুকে- তবে কি চোখ,নোনা সমুদ্রের চেয়েও আজ তীব্রতর নুন জন্ম দেবে তুমি? ৪টোলপ্লাজা একটি ভাঙা সাঁকো।তার ওপারেই অচেনা খাদ। গড়িয়ে যাচ্ছে, ক্রমাগত গড়িয়ে যাচ্ছেআমাদের অহংকারী নীরবতা। পথের পাশে বসেনিজের নিজের ফর্দ মিলিয়ে নিচ্ছেপ্রকৃত সন্তানের পিতা। পারাপার মানেই তো মাশুল,এখানে হাতবদল হয়ে যায়আয়ু ও অন্ধকার।
1 Comment
আপনার কবিতার আমি নিয়মিত পাঠিকা। আপনার লেখনী খুবই উচ্চ মানের এবং সংবেদনশীল বলে আমার মনে হয়। মানুষকে ভাবিয়ে তোলে। আপনি এইভাবে আপনার লেখা প্রকাশ করুন। আমরা এতে সম্মৃদ্ধ হবো।