জঙ্গল বহন ১
ফাতেমির জঙ্গলে রেড রাইফেল লুকিয়ে রেখেছে আমার মতোই দেখতে কফি চোখ, নাবালক ছেলেটি। নষ্ট হওয়া ভবিষ্যত, তোমার চুলের হেনা আর মঙ্গোলিয়ার ফুলের ঘ্রাণ ঠিক যেভাবে একেবারে বিশুদ্ধ ছেলে থেকে নিষিদ্ধ ছেলে বানিয়ে দিয়েছিলো আমায়…
ঠিক ওভাবেই ছেলেটিও ধরা পড়ে গ্যালো তোমার লাল কলস তীর গোঁজা বেণীর কাছে। টোটকা বৃত্তে অসুস্থ হয়ে সেও সারিয়ে তুলল তোমায়।
জঙ্গল বহন ২
আমার ভিতরে আসামির ভবিষ্যত, রক্ত দিয়ে লেখা লাস্ট নোট, তোমার লাশের কপালের থেকে তুলে নেওয়া টিপ, সদ্য একটা মালবাহী ট্রেন চলে যাওয়া, গলা কাঁটা অস্থির কিছু গান, বোকা অর্কেস্ট্রা আর লেদারের ব্যাগ….
এসব কিছু নিয়ে আমি পাড়ি দিই আন্তোলিয়ার বঙ্গাব্দে । রহস্যময় রেটিনামাইজ কবি হয়ে উঠতে চায় মন , বীভৎস চায়ের কাপে এক গুলি স্যারিডন গুলে বলি…’ ভুলে গেছি আমি সেই ডাক্তারকে, যে ঔষধের ডোজ ভুল দিয়ে আমায় তার প্রেমে ফেলেছিলো।’
ভয় ও ভ্রম
লুৎফা কিংবা খুতবা দুটোতেই আমার ভয়ংকর নেশা আর ভয় একসাথে মিশে রয়েছে, আমি শরাবের বোতল খুলে জলপাই তেল মাথায় মেখে তোমার আসক্ত আঁচল পেতে শুয়ে পড়ি খুৎবা শুনতে,
তুমি ভয় পাও, মাথায় হাত বুলিয়ে দাও আমার এবং তোমার লুৎফুন ইন্নামা চাহনিতে আমি ভয় পেয়ে উঠি ঘরের চতুর্ভুজে, কিন্তু তবুও আমি চোখ সরাই না তোমা হতে বরংচ আরও জঘন্যতম আদরে খুঁটিয়ে দেখি তোমায়। আরো বিস্ফোরণ চাহনিতে মেপে নিই তোমার সব। ধারাপাত খোলে প্রেমিকের শিশু এবং আমার দ্রবণ হয় তোমার শ্লেষ্মা ওঠা নাভিতে।
ঘুম
আসো তোমায় পোড়াই আদিম কোনো স্বপ্ন জ্বেলে,
অথবা ঘুম পাড়াই আদিম কোনো গল্প বলে…
ভোরের আজানে কীর্তনে তুমি চুলে বিলি কাটো
পিঠ ছুঁয়ে ডেকে দাও আমায় অগণিত সন্তাপ হাতে।
তরুমন
আমার চোখে আগুন, আদিম কাঁচা পশুর মতো …
আমি জঙ্গল থেকে পালিয়ে আসি তোমার দিকে
রিগ্রেশন চোখে তোমার আঁচলের তলায় খুঁজে নিই আমার ভবিষ্যত আর প্রায়শ্চিত্ত।