#১
ছোঁও
ছোঁও
তোমার অখণ্ড শিব ও অশিবে
আনখশির যে মগ্নতা সরে যাচ্ছে
তাকে চেনাও
কেউ তোমাকে ছিন্ন করেনি
রক্তাক্ত হাঁসে, করেনি ঘৃণা
ছোঁও
ছুঁতে ছুঁতে দেখো খুলে ফেললে
সকল আগুন, সমস্ত স্ফীতির পথ
গুল্মপ্রবণতা ভুলে কেউ কি হতে চায় প্রগলভ?
#২
আলো
আবর্ত থেকে আবর্ত কেবল পোড়ো…
একাক্ষরা যদি পুনরায় ব্রহ্মপাপ হয়,
তবে ক্ষুধায় কাকে বলবে কম্পিত হতে ?
বসে আছি এখনো।
অতুলনীয় এক অমসৃণ শব্দাহতে
থেমে গেল বজ্রাঘাত,
বুঝিনি এই আমার অপরূপ সৌন্দর্য।
অতল, কেন এত করুণ হলে ?
কেন মুছে দিলে বালুকাময় ভঙ্গিমা?
বিদ্ধ হতে, আরো ?
#৩
বিপন্ন
স্পর্শ করিনি পালক,
তবুও বিপন্ন।
অপর্যাপ্ত ধুলোকণায় খুঁজি,
যতদূর চলে গেছে সন্ততি…
কিন্তু ঠোঁট?
সে তো অবশ্যম্ভাবী আগুন,
অস্থি ও নাভিস্তরে গাঢ় করে হত্যা,
তাদের জন্যে কেউ কিনার এনে দাও…
তারাও নরম হয় , শূন্য যেখানে পেরোতে
পারে না সামান্য দাগ !
#৪
সঙ্কাশে
কতটা রক্তিম হতে পারো ?
কতটা পরাণ-সম্ভব ?
ছত্রে ছত্রে কেবল শুকিয়ে যাচ্ছে
অমৃতগান।
তবুও, যদি ওঠে বিরূপাক্ষ চোখ,
তোমার জন্যে অবনমিত নীলিমা
গাছ হয়ে যায় আড়ালে….
#৫
হাসি
এক অনন্ত অক্ষর হতে ভাসালে
যে মুখ, তার অপলক কালোয়
কোনোদিন দেখোনি নির্মেদ ভোর
হয়েছে হিন্দোল…
সে আগুন হতে চেয়েছে আজীবন,
খড়কুটোয়,
তুমি বিষক্ষয়ে যদি কেঁপে ওঠো !