তৃষ্ণা বসাক-এর মায়া গদ্যঃ- মায়া-মফস্বল ও ক্যাংলাস পার্টিরা – দ্বিতীয় পর্ব
তৃষ্ণা বসাক-এর মায়া গদ্যঃ- মায়া-মফস্বল ও ক্যাংলাস পার্টিরা – দ্বিতীয় পর্ব

তৃষ্ণা বসাক আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একটি অতিপরিচিত প্রিয় নাম। জন্ম কলকাতা । যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.ই. ও এম.টেক.। সরকারি মুদ্রণসংস্থায় প্রশাসনিক পদ, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিদর্শী অধ্যাপনা, সাহিত্য অকাদেমিতে অভিধান প্রকল্পের দায়িত্ব – বিচিত্র ও বিস্তৃত কর্মজীবন। বর্তমানে পূর্ণ সময়ের লেখক ও সম্পাদক। কবিতা, গল্প, উপন্যাস প্রবন্ধ মিলিয়ে গ্রন্থ ১২-র বেশি। সাহিত্য অকাদেমির ভ্রমণ অনুদান, বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদের ইলা চন্দ স্মৃতি পুরস্কার সহ পেয়েছেন অন্যান্য বহু পুরস্কার। হিন্দি, মালয়ালম, ওড়িয়া ভাষায় গল্প অনূদিত। মৈথিলী থেকে অনুবাদ ও কল্পবিজ্ঞান রচনায় সাবলীল ।
# ১
জাতিকা সমগ্র
তুলোট হলুদ কাগজ, অমন অদ্ভুত কাগজ আর কোথাও দেখিনি। আর অত লম্বাও। সেই গুপি বাইন বাঘা বাইনের জাদুকর যেমন একটা লম্বা কাগজ বার করেছিল, মনে আছে? ঠিক সেই রকম লম্বা, তাই রোল করে গুটিয়ে রাখা হত, তারপর তা মোড়া থাকত লাল শালু দিয়ে। খুলে মেঝেতে বিছিয়ে দেখতে হত, হুমড়ি খেয়ে পড়লে দেখা যেত রাশি রাশি, রাহু কেতু শনি রবির খেল, অরিষ্টনেমি, দশা, যোগ, জন্মের একটু টাইমিং -র ভুলে, রাশির চক্করে পড়ে যার প্রধানমন্ত্রী হবার কথা, তাকে পঞ্চায়েত প্রধান হতে হচ্ছে! আমার মনে হয় জন্ম ইস্তক ওই যে রোল করে রাখা জন্মপ্ত্র , কুষ্ঠী, ঠিকুজি দেখেছি, সেই থেকেই আমার জীবনটা একদম রক অ্যান্ড রোল হয়ে গেছে। আক্ষরিক অর্থেই পাথরে ভর্তি একটা রুক্ষ প্রান্তরে গড়িয়ে চলা আর তার মধ্যে দিয়েই পথ কাটার চেষ্টা।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে খামোখা এতগুলো জন্মপত্র কেন? জন্ম যখন একটা। কারণ আমার বাবার জীবনের দুটি হবি ছিল, যেটুকু আমি বুঝতে পেরেছি- এক ছবি তোলানো, অন্যটি এই ঠিকুজি করানো। সেটা যতটা না জ্যোতিষে অন্ধ বিশ্বাস থেকে, তার থেকেও বেশি বেচারা জ্যোতিষীকে একটা চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে। ‘দেখ বেটা এই হচ্ছে আমার ভাগ্য। তুই আর কী বলবি বল?’ জ্যোতিষীকে চ্যালেঞ্জ জানাবার বাবার একটা হক ছিলই, কারণ তাঁর পরের ভাই, আমাদের সেজকাকু ছিলেন ডাকসাইটে জ্যোতিষী। তিনি নিজেও ছিলেন ভারি ইন্টারেস্টিং এক চরিত্র। খুব ছেলেবেলায় স্মল পক্সে তাঁর একটা চোখ নষ্ট হয়ে যায়, একটা হাত ও একটা পা বেঁকে যায়। ক্লাস ফোরের পর আর তিনি স্কুলেই যেতে পারেননি। কিন্তু একটা কথা তখন চালু ছিল-
‘কানা খোঁড়া দশ গুণ বাড়া’- যেসব প্রবাদ আজকাল বডি শেমিং, পলিটিকাল কারক্টনেস-র হাওয়ায় বলা চলে না আর। তবে সেসবের মধ্যে অনেক সত্য লুকিয়ে আছে। শরীরের কোন অঙ্গ বা ইন্দ্রিয় নিজের কাজ না করলে, অন্যেরা নিজেরাই অনেক বেশি কাজ নিজেদের কাঁধে তুলে নেয়। কাকুর ক্ষেত্রেও তাই ঘটেছিল। তাঁর সমস্ত অধীত বিদ্যা ছিল আমার বাবা মানে তাঁর মেজদার মুখে শুনে, অর্থাৎ শ্রুতি নির্ভর। অবশ্য এক চোখে তিনি ভালোই পড়তে পারতেন, তবে তার গতি ছিল অনেক মন্থর।
অসাধারণ হাতের লেখা, খুব ভাল গান গাইতেন, তার থেকেও বেশি ছিল গানের ব্যকরণগত গান, নির্ভুল নোটেশন করে ফেলতেন কানে শুনে। কলকাতায় এসে ভি বালসারার সঙ্গে তিনি কাজ করেন অনেকগুলো বছর। কিছু ফিল্মে প্লে ব্যাকও করেছেন।
পাঠকের মনে থাকতে পারে, জগবন্ধু লেনের ভাড়া বাড়িতে বারোয়ারি বাথরুমে দেওয়ালে কনুই ঘষে যেত, এতই ছোট ছিল সে বাথরুম। একটা বড় বাথরুম আর অনেক সবুজের লোভে, বাবা কলকাতা ছেড়ে, নিউ আলিপুরে ফ্ল্যাটের হাতছানি ছেড়ে ২৫ কিলোমিটার দূরে দক্ষিণের এক মফস্বলে চলে এলেন, অনেকটা বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘নদীর ধারে বাড়ি’ গল্পের মতো, তখন অনেক বলা সত্ত্বেও এই কাকু আমাদের সঙ্গে আসেননি। তাঁর গানের কেরিয়ার পুরোটাই কলকাতা কেন্দ্রিক। বিয়ে করেননি। থাকতেন লেবুতলা পার্কের কাকাতুয়া বাড়িতে। বিরাট বাড়ির একতলার বারান্দায় দাঁড়ে বসে থাকত একটা কাকাতুয়া, যার রাতের ডিনার ছিল লুচি আর দুধ। কাকুর এই কাকাতুয়া আমার জীবনে একটা মিথ হয়ে গেছিল। দুধ সেরকম পছন্দ না করলেও এই লুচি দিয়ে দুধকে অতি লোভনীয় মনে হত।
আমার এখনো মনে পড়ে যখন ক্লাস ফাইভে মর্নিং স্কুল হত, বাড়ি ফিরে আমার বেশিরভাগ দিন খাদ্য ছিল রুটি ,আলুভাজা আর এক কাপ দুধ। হাতে একটা বই নিয়ে লাল মেঝের বারান্দায় বসে পা ছড়িয়ে খাচ্ছি, খাওয়ার সময় বাঁচানোর জন্যে রুটির মধ্যে আলুভাজা রোল করে সেটা দুধে চুবিয়ে চুবিয়ে। তাতে রুটি চিবোনর ঝঞ্ঝাট এড়ান যেত। হয়তো নিঃশব্দে স্যান্ডুইচ বা বার্গার প্রজন্মের পদধ্বনি তার মধ্যে শোনা যাচ্ছিল। যে শুনেছে সে শুনেছে।
বাবার অফিস থেকে ফিরতে দেরি হলেই ট্রেনের গণ্ডগোল ছাড়া যে দুটো সম্ভাবনা ছিল- তা হল মাছের বাজারে ঢুকে দেউলিয়া হয়ে যাওয়া। এটা বর্ষায় ইলিশের মরশুমে প্রায়ই ঘটত।
দ্বিতীয় কারণ ছিল, বাবা নিশ্চয় কোন নতুন জ্যোতিষীর সন্ধান পেয়েছেন। কখনো বৈঠকখানা বাজারের কোন সন্দেহজনক চেহারার গলির মধ্যে অন্ধকার কুঠুরি, কখনো মানিকতলায় কোন কবিরাজের চেম্বারের পাশে, কখনো বা আমাদের এদিকেই লক্ষ্মীকান্তপুর লাইনে শাসন স্টেশনে নেমে ছায়াঘন পথ দিয়ে রহস্যময় এক জায়গা। তার নামটাও ভারি গা ছমছমে- অমোঘ জান বাড়ি। মা মাঝে মাঝে বলতেন ‘ওই অমোঘ জান বাড়ি আমার জান কয়লা করে দিল।‘ মা কি বলতে চাইছিলেন ঐ অমোঘ জান বাড়ি আসলে বাবার সঙ্গে এই জীবনের ওপারের এক লোকের যোগাযোগ করিয়ে দিচ্ছে? সেই সঙ্কেত সবাই শুনতে পায় না।
তবে একটা কথা বলতে পারি, সেই মায়া মফস্বলে সবাই পাশাপাশি লেপ্টে থাকত, ভদ্রলোক, চোর, বেশ্যা মাতাল, ভিখিরি- সবাই। এই অঞ্চলের সাবেক লোক যাঁরা, তাঁরা অনেকেই পান চাষী, বারুই সম্প্রদায়ের (অনেকে বলেন তাঁদের নামেই এই শহরের নাম), তাদের পানের বরজে যেমন অনেক বিধিনিষেধ মেনে চলতে হয়, তেমনি তাদের জীবন যাপন, বিভিন্ন জায়গা থেকে আসা বাহিরি লোকেদের থেকে আলাদা। এই সাবেকি লোকেদের পাশাপাশি এখানে দুধরনের লোক এসে জুটেছিল।
এক তো দক্ষিণের গ্রামগুলো থেকে ডাকাতির ভয়ে, এবং ছেলেমেয়ের স্কুল কলেজ ও অফিস যাতায়াতের সুবিধের জন্যে কিছু লোক এখানে এসে বাসা বেঁধেছিল। কেউ দেশের জমি বেচে এখানে জমি বা বাড়িও কিনে ফেলেছিল। আর একদল ছিল আমার বাবার মত কলকাতায় থাকা উচ্চশিক্ষিত ভাল চাকুরের দল, যাদের শিকড় গ্রামে বলে সবুজ ভূখণ্ডের প্রতি তাদের টান থেকে গেছিল। কলকাতার ফেনিল সমুদ্রে ক্লান্ত হয়ে তারা কলকাতা থেকে দক্ষিণে, আরও দক্ষিণে শহরতলিতে চলে আসে। ফলে আমাদের মায়া মফস্বলে এই ত্রিমুখী সংস্কৃতির স্রোত পাশাপাশিই ছিল, এর সঙ্গে ছিল একটা চতুর্থ সংস্কৃতি, ক্ষয়িষ্ণু জমিদার বংশের। এখানকার রায়চৌধুরী পরিবার নাকি সাবর্ণদের একটি শাখা। তারা কর্তার ভূতের মতো সবকিছুতেই চেপে ছিল। স্থানীয় সব অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী সঙ্গীত অমুক বাবুকে গাইতে দিতেই হত। এবং যেদিন তিনি ঠিক মুডে থাকতেন না, সেদিন তিনখানা উদ্বোধনী গাইতেন, নাহলে পাঁচটাই তাঁর নর্মাল ছিল।
এই চারটি সংস্কৃতির স্রোতের মধ্যে আমার বাবার স্রোতটি ক্ষীণ ছিল, এবং নিজের স্পষ্টবাদিতার (যাকে মা বলতেন ঠঁটকাটা, আর দিদা বলতেন মুখদোষ) জন্যে শাসক দলের এবং এলিট ক্লাসের কাছেও তিনি অপ্রিয়ই ছিলেন। তাই হয়তো বাবার ফিরতে দেরি হলেই আমার চিন্তাজীবী মা বলতেন ‘নির্ঘাত তোর বাবাকে কেউ স্ট্যাব করেছে’
একটা লোক বুকে ছুরি খেয়ে পড়ে আছে, এটা দৃশ্য হিসেবে কল্পনা করলে ভয় লাগাই স্বাভাবিক, বিশেষত ঐ বয়সে। কিন্তু আমার বেশ হাসিই পেত। জানতাম এরকম কিছু ঘটেনি, বাবা হয়তো কোন ছায়া ছায়া ঘরে বসে জ্যোতিষীর সঙ্গে ডুয়েল লড়ছেন।
সেজকাকু মাঝে মাঝেই আমাদের কাছে আসতেন আর কয়েক দিন থেকেও যেতেন, তারপর ‘অতিথি’ গল্পের তারাপদর মতো হঠাত একদিন সকালে মায়ের রাঁধা বাঁধা ভাত আর আমাদের কাতর ডাক উপেক্ষা করে কলকাতায় ফিরে যেতেন।
মা বলতেন ‘খাই দাই পাখিটি বনের দিকে আঁখিটি’
তো সেই পাখিটি যতক্ষণ আমাদের কাছে থাকতেন, তার সিংহভাগই যেত গ্রহ নক্ষত্রের ওপর গবেষণায়। কাকু হাত দেখায় একদম বিশ্বাস করতেন না। বিশ্বাস করতেন জন্ম মুহূর্তের গ্রহ নক্ষত্রের অবস্থানে। তার জন্য জন্মের সঠিক মুহূর্ত জানার দরকার ছিল, খুব পুরনো পাঁজিতে সেসব পাওয়া যেত। সেই মুহূর্ত জানার পর জন্মস্থানে কারা আছেন, তাঁরা কী কী বিপত্তি ঘটাতে পারেন, কীই বা উপকার- এসব রীতিমতো অংক কষে বার করতে হত। অংক প্যাশন ছিল বলে সেইসব অংক কষা ও তারপর ছক কাটা- এইসবে আমি বেশ দক্ষ হয়ে উঠেছিলাম। কাকুর খুব আশা ছিল বড় হয়ে শ্রীমতি পারমিতা বা দিব্য ভারতী (দিব্যা ভারতী নয় কিন্তু) কিছু একটা হব। বেচারা কাকু! বেচারা বাবা! আমি কী হয়েছি দেখার জন্যে অতদিন কেউই বাঁচেননি, ভাগ্যিস! হয়তো কেউই খুব একটা খুশি হতেন না। জীবন সম্পর্কে আমার যা দর্শন- ‘আমার কাছে জীবন মানে কিচ্ছুটি না’, যা বলা যায় হাইজেনবার্গের অনিশ্চয়তা তত্ত্ব, বুদ্ধের শূন্যবাদ আর একদম নিজস্ব সংশয়বাদের একটা এলোমেলো ফিউশন। যতক্ষণ কেউ আমার বা মানব সমাজের বিরাট কিছু ক্ষতি না করছে, ততক্ষণ ভূত বা জ্যোতিষে কীই বা আসে যায়? আর দিনকাল যা পড়েছে ভূত ভগবান গ্রহ নক্ষত্র কাউকেই বিশ্বাস করা যায় না মশাই। তবে সৃষ্টিতত্ত্বে বিজ্ঞানের যে আবিস্কার- প্রাণ এসেছে নক্ষত্রলোক থেকে, এটা যেদিন শুনেছিলাম, সেদিন ঐ তুলোট কাগজের রোহিণী, স্বাতী নক্ষত্রদের খুব মনে পড়ছিল। জীবন তো শেষ অব্দি স্বাতী নক্ষত্রের জল।
মাকে লুকিয়ে নিজের জন্মপ্ত্র অনেক পড়েছি। পড়তে পড়তে মনে হত আমার নাম বুঝি জাতিকা ভট্টাচার্য। এতবার জাতিকা শব্দটি লেখা ছিল। আর স্বীকার করতেই হচ্ছে এইসব অখ্যাত জ্যোতিষীদের হাতের লেখা মুক্তোর মতো। গোটা গোটা অক্ষরে তাঁরা আমার নামে কত কথা যে লিখেছিলেন। হয়তো বড় জোর ২০০ টাকার বিনিময়ে।
‘অস্ত্রোপচারে আংশিক আরোগ্য হইবে’। এইটেই আমার মনে আছে। আমার সব আরোগ্যই আংশিক, অস্তর করো আর নাই করো। ক্যাংলাস পার্টিদের অমনি হয়। তাদের কোন অসুখই পুরো সারে না। জন্ম মাসে এসে মনে হয়, আমার সেই জন্মপ্ত্র গুলো থাকলে বেশ হত। বাকি কথাগুলো পড়ে নিতাম। কিন্তু বললে পেত্যয় হবে না, আমার গোদরেজের স্টিলের আলমারির লকারে সযত্নে রাখা সেইসব জন্মপ্ত্রিকা গুলো, উইয়ে খেয়ে নিয়েছে। একেই বলে উইয়ে কাটা জীবন। সেই কাগজের টুকরো গুলোয় আমার ভাগ্য না থাক, বাবা নিশ্চয় ছিলেন।
সেই বাবা, যাঁর প্যাশন ছিল নানান কিসিমের জন্মপত্র তৈরি করা, তিনি যখন বাহান্ন বছরে আচমকা মারা গেলেন, কাজ মিটে যাবার কদিন পর, আলমারি খুলে বাবার জন্মপ্ত্রের দিকে ঝুঁকে পড়ে মা বিলাপ করছিলেন- ‘এই দেখ লেখা আছে আয়ু বাহাত্তর , সেই লোক কী করে বাহান্নতে চলে যায়?’
সেই বিলাপধ্বনির মধ্যেও আমার ভেতরে কুলকুল করে উঠেছিল হাসি। বাবার সঙ্গে যেন জ্যোতিষীদের একটা চুক্তি হয়েছিল, কার্ড স্ক্র্যাচ করলেই বাহাত্তর বছর পরমায়ুর লাইফ টাইম অফার! চুক্তিভঙ্গের জন্যে মা ক্রেতা সুরক্ষা আদালতে যায়নি অবশ্য। তবে আমি একটা বহুদিনের না মেলা অংকের উত্তর পেয়ে গেছিলাম হঠাতই। অমোঘ জান বাড়ি নয়, আসলে কথাটা হবে অমোঘ যান বাড়ি। রাহু কেতু বৃহস্পতি এবং জ্যোতিষীর তাবৎ ছক উলটে দিয়ে অমোঘ সেই মহাজাগতিক যান বাড়ির দরজায়, তার নিজের সময়েই হাজির হয়। দুয়ারে যমালয় প্রকল্প!