জন্ম পশ্চিমবঙ্গের হুগলী জেলার ধনিয়াখালি গ্রামে। লেখালিখির শুরু খুব ছোটবেলা থেকেই। পেশায় গৃহশিক্ষক হলেও সাহিত্যই চব্বিশ ঘণ্টার ধ্যানজ্ঞান। কবিতার জন্যেই তাঁর বেঁচে থাকা। উদ্দেশ্যহীন পথচলা তাঁর কাছে নেশার মতো। এই পৃথিবীতে রেলস্টেশনই তাঁর বসবাসের একমাত্র জায়গা বলে তিনি মনে করেন। একান্ত ইচ্ছা মধ্যরাতে একটি অসমাপ্ত দীর্ঘকবিতা নিয়ে অরণ্য এবং নির্জন দ্বীপে চিরকালের জন্যে হারিয়ে যাওয়া। জল মাটি হাওয়া গাছপালা নদীর সঙ্গ তাঁর কাছে চির-আকাঙ্ক্ষিত।
সম্পাদিত পত্রিকা : ছায়াবৃত্ত, কাটুম কুটুম।
ছড়ানো ভাত
এক
মাথায় আগুন ছুটে যায়।
কিন্তু কেন?
ওই তো একটুকরো জমি। পৃথিবী ধরা কি মুখের কথা! তার ওপর ওই ভীষণ নড়াচড়া।
দুই
তর্জনীর ওপর দিয়ে বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠ সরিয়ে সরিয়ে এনে তুমি কোথায় দাঁড় করাবে? সত্যিই কি তুমি তাকে ধরতে পেরেছো?
তিন
ওই যে অত অত গলি আর গভীর মাটির দেশ!
কে যেন তোমাকে এই অসীমের ভেতর এনে ফেলেছিল! এতদিন তো নাড়াচাড়া করলে। লেখো তো আগুন-মাপ।
চার
ছড়ানো আলোর ভেতর খিদে পড়ে থাকে বুঝি! কত কত মুখ জেগে থাকে? অথবা কিছুই নয়—একরাশ অন্ধকার পিলসুজের দেশে।
পাঁচ
আলোদানা বা আগুনদানা—যা-ই বলি না কেন, আমি যদি তার ভেতর দিয়ে অতি সাবধানে একটি নদীকে নিয়ে যাই তা কি খিদের গলায় পরানো যাবে?