রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে স্নাতকোত্তর। পেশা: একটি উন্নয়ন সংস্থায় পরিচালক পদে কর্মরত। প্রকাশিত কবিতার বই: ১. নিমপাতার জল,২. জলের নিচে শব্দ প্রকাশিত গদ্যগ্রন্থ:১. যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ ২. কথাদের জলরং
#১
যুগল নিঃশ্বাস
শাড়ির ভাঁজের প্লাবনে কুচি কুচি ইচ্ছে উন্মুখ হয়ে আছে তোমার স্পর্শ পাবে বলে
হাতে তুলে নাও ফুল আলতো করে ছোঁয়াও ঠোঁট ভিজিয়ে দাও গভীর থেকে গাঢ় গভীর নেশায়
ঠোঁট দিয়ে তুলে নিক ক্ষুধার রস মুক্ত করে বসুক পালক আর তুমি বিছিয়ে দাও গাঢ়তম যুগল নিঃশ্বাস শরীরের চর্চিত রোদ!
#২ ঝাপসা স্মৃতি
যত্নে লাগানো বোতামের মত গোছানো হলো না কিছুই– না জীবন, না তোমার প্রেম.. বেলা পড়ে গেলে ঘাসের শুকনো ডগায় অযত্নে হেঁটে আসা লিকলিকে পথ
কুয়াশায় ঘেরা আকাশ থাকে না সূর্য কিংবা সূর্য থাকে না আকাশের বুকে, শরীরের মধ্যে থাকে না মন, কিংবা মন থাকে না শরীরের গভীরে সব-সবকিছু প্রেমের চোখে চোখ রেখে কি যেন বোঝার ভান করে বুঝি না
নিরিবিলি পথ তাকিয়ে দেখি ন্যুব্জ বুকের মায়া ঝাপসা মুখের ছবি আঁকে রূপালী রুমাল খোঁজে আর্দ্র সূর্যালোক
পথ হাঁটে… হেঁটে এসে—
বারবার এঁকে দেওয়া যতিচিহ্ন মৌনতায় ধরে রাখে অনামিকা তোমার কপালে শুধুমাত্র অনুভব সাজাতে পৃথিবীর সমস্ত আয়োজন
#৩ তারুণ্যের প্রতীক প্রান্তর
কুয়াশার আকাশ থেকে একরাশ মেঘজল যেন মিছিলের প্রতিরোধ বানী
হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রান্ত দলছুট বালকের মত নিঃশ্বাস উঠানামা যেভাবে শার্টের বোতাম এলোমেলো করে লাগানো
এ বাড়ির উঠোন মরা ডালপালা শুকনো কথার মত একপাশে ঝরা পাতাগুলো কুয়াশায় ভেজা ভেজা ঝিমঝিম দুপুর