নিয়মের কাছে যাব বলে উঠতেই দেখি সে নিজেই এসে আমার মধ্যে
বসে আছে।
মাঝে মাঝে স্বপ্ন দেখার বড় সাধ হয়।
কিন্ত সে আসেনা।এতদিনে চিনে গেছে আমায়।জেনেছে স্বপ্ন দেখার অছিলায় আমি মা কে দেখবো।
ছোটবেলায় বড়রা বলেছিল মা গেছে চাঁদে।
আমি ফুল দেখি,পাখি দেখি।লুকিয়ে চাঁদ।
স্বপ্ন দেখিনা।
#২
আড়াল
তুমি বলেছিলে আমি
এখনো প্রাগৈতিহাসিক যুগেই পড়ে আছি। আমিও দেখেছি ঠিক মত স্মার্ট হতে পারিনি! এখনও ভেজা ব্রা
আড়াল করে মেলি।ঋতুমতী হলে মন্দির ছুঁই না। বলেছি দেহজ প্রেমে এখনো অপ্রস্তুত। বলিনি
গোপন অসুখে রোমন্থিত বহুবার।
এ বড় পাপ! এ বড় পূণ্য।
আজ আমার কাব্যগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন।
# ৩
শীত পার্বণ
সব কিছু সারা হলে আসন পাতি।
মঙ্গল ঘট! আমের পল্লব।
দূরে কাদের বাড়ি শঙ্খ বাজে। পায়েসের গন্ধ ভেসে আসে। ভুলো কুকুরটা নাক টানে! সমস্ত দুঃখ চাদরে মুড়ে মা বেড়ে দেয় অন্ন।লক্ষীর পাতে। এভাবেই আমরা নিঃস্ব হতে হতে পেরিয়ে যাই প্রতিটি শীত,প্রতিটি পার্বণে।
1 Comment
কবিতাগুলি ভালো লাগলো। ২য় কবিতা ‘আড়াল’ তো অসাধারণ!